বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এখন খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণের কারণে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পৌরসভার কয়েকজন কাউন্সিলর জেলা প্রশাসকের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন। এরপর প্রশাসন ভবনের কাজ বন্ধ করে দিলেও কয়েক দিন পর আবারও সেই কাজ চলছে। আপত্তি জানানো কাউন্সিলরদের ভাষ্য, খাল পুনঃখননের কারণে পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা থাকবে না। এখন খালের ওপর ভবন নির্মাণ করলে আবার জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করবে। এ ছাড়া খালের ওপর তিনতলা ভবনও ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য ভূমিকম্পে যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে।

পবা উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) বক্তব্য থেকে জানা গেল, ভবন নির্মাণ বন্ধের নির্দেশকে কোনো তোয়াক্কাই করছেন না মেয়র। কারণ দর্শানোর নোটিশের উত্তর দেওয়ারও প্রয়োজন মনে করেন না তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনে বিকল্প পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, তাই বলে ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে এভাবে সরকারি একটি খাল দখলে মত্ত হবেন একজন জনপ্রতিনিধি, সেটি মেনে নেওয়া যায় না। ভবনগুলো উচ্ছেদ করে খালটিকে সুরক্ষিত করা হোক। স্থানীয় প্রশাসনের উচিত মেয়রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন