বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ চিকিৎসককে স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে। করোনার প্রকোপ তো কেবল ওই এলাকায় সীমিত ছিল না, এখনো নেই। দেশের প্রায় সব স্থানে কমবেশি করোনা আঘাত হেনেছে। তাই বলে কি সেসব স্থানে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে? একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এক বছরের বেশি চিকিৎসক না থাকার অর্থ সেই এলাকার চিকিৎসাপ্রার্থীদের বঞ্চিত করা। স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধের আগে এখানে ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী আসত। গ্রামের দরিদ্র মানুষের পক্ষে জেলা সদরের হাসপাতালে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশেষ করে নারীদের জন্য দূরবর্তী স্থানে যাওয়া আরও দুরূহ।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এই কেন্দ্রের দায়িত্ব তাঁদের নয় বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছেন। কেন্দ্রটি মৌলভীবাজার পরিবার পরিকল্পনা অফিস ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে পরিচালনা করত। ভাগের মা অন্ন না পাওয়ার মতো এখন এর দায়িত্ব কেউ নিতে চান না। দায়িত্ব যাঁর বা যাঁদেরই হোক না কেন, এ রকম একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র মাসের পর মাস বন্ধ থাকতে পারে না। এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন বলেছেন, করোনার প্রকোপ কমলে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। তাঁর এ বক্তব্যের জবাবে বলব, কোনো অজুহাতেই স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ থাকতে পারে না। অবিলম্বে মোস্তফাপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হোক। খোলা হোক বন্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন