বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কাউন্সিলর মোহাম্মদ সোহেল ২০১৩ ও ২০১৭ সালে পরপর দুবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। দ্বিতীয়বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি এলাকায় মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। তা কেউ কেউ ভালোভাবে নেননি বলে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, পাশের ওয়ার্ডের শাহ আলম, সাব্বির ও ‘জেল সোহেল’ হিসেবে পরিচিত সোহেলের সঙ্গে নিহত কাউন্সিলরের বিরোধ ছিল। মামলার আসামিরা এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে পত্রিকায় খবর এসেছে।

কাউন্সিলর সোহেল হত্যার আসামিদের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ একাধিক মামলা ছিল। এর মধ্যে একজন জেল খাটার কারণে জেল সোহেল নামে পরিচিতি পেয়েছিলেন। কিন্তু কেউ শাস্তি পাননি; দিব্যি এলাকায় অপকর্ম চালিয়েছেন। রাজনীতি ও ক্ষমতার ছত্রচ্ছায়ায় অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান।

কুমিল্লার আগের দুই খুনের ঘটনায় মামলা হলেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশের তদন্তই শেষ হয়নি। তিন বছর পর এসে পুলিশ বলছে, শিগগিরই অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে। অভিযোগপত্র জমা না দিলে বিচারিক কাজ শুরু হবে কীভাবে? কেন তাঁরা তদন্ত শেষ করতে পারলেন না? এ বিষয়ে কি তাঁদের ওপর রাজনৈতিক চাপ ছিল? কারা সেই চাপ দিয়েছেন, বের করা প্রয়োজন। খুনের বিচার না হওয়ার কারণেই অপরাধীরা আশকারা পেয়ে যায়।

আমরা আশা করব, কুমিল্লার কাউন্সিলর মোহাম্মদ সোহেল হত্যার সব আসামিকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনা হবে। তদন্তে কোনো গাফিলতি বা কালক্ষেপণ করা যাবে না। আমরা চাই না স্থানীয় রাজনীতি কিংবা আধিপত্য বিস্তারের নামে আর কারও মায়ের বুক খালি হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন