বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রায়হান আহম্মেদ জানান, যথাযথ পানির স্তর না পাওয়ায় সেখানে গভীর নলকূপ স্থাপন করা যাচ্ছে না। পৌর এলাকায় লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা ছাড়া বিকল্প পথ নেই। অন্যদিকে কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম বলেন, মধ্যকূল এলাকায় পানি সরবরাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। দ্রুত লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হবে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবার এমন আশ্বাস দেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হয় না।

গোটা দেশে যেখানে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, সেখানে একটি এলাকা কয়েক দশক ধরে বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগবে, এটি কেমন কথা। জনগণকে নাগরিক সেবা না দিয়ে কীভাবে সেখানকার জনপ্রতিনিধিরা এত বছর ধরে নির্বাচিত হচ্ছেন, সেই প্রশ্নও থেকে যায়। স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দ্রুত এ সমস্যার সুরাহা করুক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন