বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, গলাচিপার পুরোনো লঞ্চঘাটের কাছে ৩৩ শতাংশ জমির ওপর গণপূর্ত বিভাগের নির্মিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনটি অব্যবহৃত পড়ে আছে। গত ১৯ মাসে আশপাশের এলাকায় আগুন লাগার বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। সেপ্টেম্বরেই গলাচিপা শহরে আগুনে ৯টি দোকান পুড়ে যায়। পাশের দশমিনা ফায়ার স্টেশন থেকে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, গলাচিপা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনটি চালু থাকলে এ সম্পদহানি হতো না।

গণপূর্ত বিভাগ পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদ বলেছেন, ‘গলাচিপায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো বুঝিয়ে দেওয়া যায়নি। গাড়ি যাওয়া-আসার সড়ক না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটি পৌরসভার এবং সড়ক নির্মাণে আমাদের বরাদ্দ না থাকায় বিষয়টি পৌরসভাকে জানিয়েছি।’

অন্যদিকে গলাচিপার পৌর মেয়র আহসানুল হক জানান, পৌরসভা থেকে পুরোনো লঞ্চঘাট পর্যন্ত একটি সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কটি আরসিসি ঢালাই দিয়ে করা হবে। সঙ্গে নালা নির্মাণের পরিকল্পনাও আছে। এ-সংক্রান্ত একটি প্রকল্প তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

দুর্যোগপ্রবণ গলাচিপার জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন জনগুরুত্বপূর্ণ একটা প্রকল্প। শুধু আগুন নেভানো নয়, ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ মোকাবিলাতেও এ সংস্থার কর্মীদের ভূমিকা অগ্রণী। মাত্র ৩০০ ফুটের রাস্তা মেরামত না করায় ফায়ার স্টেশন চালু না হওয়া হতাশাজনক। পৌর কর্তৃপক্ষকে দ্রুত রাস্তাটুকু মেরামতের উদ্যোগ নিতে হবে। জনস্বার্থকে যেকোনো বিবেচনায় অগ্রাধিকার দিতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন