বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রাণী গবেষকদের মতে, শামুক হচ্ছে প্রকৃতির বন্ধু। উন্মুক্ত জলাশয়ের পানি বিশুদ্ধকরণসহ স্থানীয় মিঠাপানির মাছের খাদ্যের চাহিদা পূরণ
করে শামুক। এরা দেহ থেকে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও পটাশজাতীয় বস্তু মাটিতে ছাড়ে। মরে গেলেও এদের মাংস পচে ও খোলায় মাটিতে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও পটাশজাতীয় সার তৈরি করে এবং মাটি উর্বর করে। এ ছাড়া ধানগাছের ক্ষতিকর পোকা নষ্টকারী দুটি কীটের খাবারও শামুক। কীটগুলোর কারণে ফসলের উৎপাদন বাড়ে। মোটকথা পরিবেশের বাস্তুসংস্থান রক্ষার্থে শামুক বড় ভূমিকা পালন করে। এরা না থাকলে পানির প্রাকৃতিক শোধনক্ষমতা কমে যায়। কৃষিজমি ও পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্যও নষ্ট হয়।

শামুক রক্ষার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে গুরুদাসপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন। যদিও সেটি রুটিনমাফিক মন্তব্য বলা চলে। চলনবিলকে ঘিরে সব কটি উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষ সম্মিলিতভাবে পদক্ষেপ না নিলে সেখানে শামুক নিধন কোনোভাবে বন্ধ হবে না। বিষয়টি নিয়ে জেলা পর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি শামুক নিধন রোধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন