বেতন–ভাতা বন্ধ থাকার পরও ক্ষান্ত হননি এসব শিক্ষক ও সুপারভাইজার। নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে শিশু জরিপ ও শিক্ষাকেন্দ্র পরিচালনা করে যাচ্ছেন তাঁরা। দুঃখের কথা হচ্ছে, সেই খরচও পাচ্ছেন না তাঁরা। শুধু তাই নয়, স্কুল শুরুর আগে শিশু জরিপ বাবদ প্রাপ্য সম্মানীও তাঁরা পাননি। এখন অবস্থা এমন যে ঠিকমতো দায়িত্বও পালন করতে পারছেন না, আবার চাকরিও ছাড়তে পারছেন না। যশোরের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো জানাচ্ছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে এই প্রকল্পে অর্থ ছাড় করা হয়নি। এর মানে কি প্রকল্পটিকে গুরুত্বহীন মনে করছেন তাঁরা?

করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা খাতে আমাদের বড় ক্ষতি হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ঝরে পড়েছে অনেক শিশু। তাদের আবার শিক্ষামুখী করার জন্য এমন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু শিক্ষক-সুপারভাইজারদের বেতন–ভাতা আটকে রাখার মধ্য দিয়ে বলা যায়, যেনতেনভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর ফলে সেখান থেকে আদৌ কোনো সুফল আসবে কি না, আমরা সন্দিহান। অতিসত্বর শিক্ষক-সুপারভাইজারদের বকেয়া বেতন–ভাতা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন