প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, প্রকল্পটির আওতায় দীঘিনালার পাঁচটি ইউনিয়নে ২৫৯টি পাড়ায় ২৫৯ জন পাড়াকর্মী ও তাঁদের নিয়মিত তদারকির জন্য ২৬ জন মাঠ সংগঠক রয়েছেন। পাড়াকর্মীরা মাসে ৬ হাজার ৫০০ টাকা ও মাঠ সংগঠক ১০ হাজার টাকা বেতন-ভাতা পান। আগে নিয়মিত বেতন-ভাতা পেলেও ফেব্রুয়ারি থেকে বেতন বন্ধ রয়েছে। বেতন বন্ধ থাকলেও কাজ বন্ধ নেই। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরা। সংসার চালাতে ও সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালাতে কেউ ব্যবহার্য অলংকার, কেউ স্মার্টফোনও বিক্রি করে দিচ্ছেন।

উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান সীমা দেওয়ান বলেন, প্রকল্পের পাড়াকর্মী ও মাঠ সংগঠকের দায়িত্বে থাকা নারীদের অধিকাংশই দরিদ্র। তাঁরা প্রকল্পের বেতন-ভাতার ওপর নির্ভরশীল।

তিন মাস ধরে তাঁদের বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা খুবই দুঃখজনক ও অমানবিক। প্রকল্পের উপজেলা ব্যবস্থাপক শহীদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, বরাদ্দ না আসায় মাঠ সংগঠকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। তবে সেই বরাদ্দ কখন আসবে, সেটি নিশ্চিত করেও বলতে পারেননি তিনি।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বাজারের অস্থিরতার মধ্যে এতগুলো মানুষকে এভাবে দুঃসহ জীবনযাপনের দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো মানে হয় না। আমরা আশা করছি, পার্বত্যবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন