বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যেখানে খননযন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে, তার কাছেই দুটি রাস্তা। নদীভাঙনের শিকার দুই শতাধিক পরিবার রাস্তার পাশ ঘেঁষে বসতি গড়ে তুলেছে। ক্রমাগত মাটি তোলায় সেখানে গভীর গর্ত হয়েছে। দুটি রাস্তার পাশ থেকে মাটি ধসে পড়ছে। ফলে যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে রাস্তার পাড়। সেটা হলে নদীভাঙনের শিকার হয়ে যাঁরা সেখানে বসতি গড়েছেন, তঁারা নতুন করে ঘর হারাবেন।

অভিযুক্ত আফজাল মোল্লার দাবি, উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই মাটি কাটা হচ্ছে। অন্যদিকে গোয়ালন্দের সহকারী কমিশনার (ভূমি) রফিকুল ইসলামের ভাষ্য, ওই এলাকায় সরকারি কোনো ঘর বরাদ্দ নেই। সরকারি বরাদ্দের ঘরে মাটি ফেলানোর কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ অপকর্মের সঙ্গে সরকারি দলের অনেকে জড়িত।

অর্থনৈতিক স্বার্থে প্রভাবশালীদের এ ধরনের অপকর্ম নতুন নয়। গোয়ালন্দের দৌলতপুরেও নিজেদের পকেট ভারী করতে তারা রাস্তা ও মানুষের বসতি ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। সেগুলো রক্ষায় অবিলম্বে পদ্মা নদী থেকে মাটি তোলা বন্ধ করতে হবে। ঝুঁকিতে থাকা রাস্তা যাতে ভেঙে না যায়, সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। যেসব দুর্বৃত্ত এ কাজে জড়িত, তাদের শিগগিরই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন