বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন কমিশন ধারাবাহিকভাবে সব পক্ষের জন্য সমতল মাঠ নিশ্চিত করতে না পারায় নির্বাচন আজ প্রহসনে পরিণত হয়েছে। সেই সঙ্গে রাজনীতি ও ক্ষমতার দুর্বৃত্তায়ন একটি সুষ্ঠু নির্বাচনকে কঠিন করে তুলেছে। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার দিকনির্দেশনা মাঠপর্যায়ে কোনো কাজে লাগেনি। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও কাজে লাগাতে তিনি ব্যর্থ। নির্বাচনের নতুন যে সংস্কৃতি গত এক দশকে তৈরি হলো, তারই ধারাবাহিকতা বলা যায় একে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার প্রয়োগ—এমন সব বিষয় দিন দিন অকল্পনীয় হয়ে উঠছে আরও। এখন নির্বাচন মানে হয়ে পড়েছে, ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়নই জয়ের শতভাগ নিশ্চয়তা।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের বলেছেন, চলমান ইউপি নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিদিনের খুনখারাবি জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। দেশের মানুষ রক্তাক্ত নির্বাচন দেখতে চায় না। এত প্রাণহানির মধ্য দিয়ে যে নির্বাচন হচ্ছে, এর থেকে জনগণ কী আশা করতে পারে? অস্ত্রবাজি ও সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে যাঁরা নির্বাচিত হয়ে আসছেন, তাঁরা কি আদৌ জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা রাখেন? কোনো ধরনের ক্ষমতাই প্রয়োগ করতে নির্বাচন কমিশনকে দেখা যাচ্ছে না। মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এসে কেন এই দায়সারা নির্বাচন? নির্বাচনকে এ কমিশন রীতিমতো তামাশা বানিয়ে ফেলেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এসব অর্থহীন নির্বাচনেই হানাহানি ও প্রাণহানি ঘটে চলেছে। বর্তমান কমিশনের কাছে কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আশা করার সুযোগ নেই।

নির্বাচন নিয়ে আমরা আর কোনো সংঘাত ও প্রাণহানি দেখতে চাই না।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন