বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পানি শোধনাগারের জন্য নদীর পাশে স্থান বাছাইয়ে শুরু থেকে আপত্তি ছিল। সেটি আমলে না নিয়েই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। যার ফলে শোধনাগারটি এখন নদীভাঙনের শিকার হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া লক্ষ্যমাত্রার দৈনিক ছয় লাখ লিটার পানি শোধনের পরে তা সংরক্ষণের জন্য ছিল না কোনো রিজার্ভার। শোধিত পানি সরবরাহের জন্য পাইপলাইনও তৈরি করা হয়নি। দীর্ঘদিনেও চালু না করায় নির্মিত শোধনাগারটির যন্ত্রপাতিগুলোও নষ্ট হওয়ার পথে এখন। অন্যদিকে আধুনিক সুবিধাসংবলিত পাঁচতলা বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন নিয়ে ঠিকাদারদের অনিয়মের অভিযোগ আছে। একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বরিশাল মহানগরের দুই প্রান্তে প্রবেশমুখে সিটি গেট নির্মাণ প্রকল্পটির কাজেও। বাড়তি ব্যয়ের কারণে প্রকল্প দুটির কাজ থমকে আছে বছরের পর বছর ধরে। যেহেতু এসব প্রকল্প তেমন জনহিতকর নয়, এর জন্য সিটি করপোরেশনকে বাড়তি বরাদ্দ দিতেও ইচ্ছুক নয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

শোধনাগারটি নির্মিত হলে নাগরিক সুবিধা বাড়ত। এখন তা থেকে বঞ্চিত হলো নগরবাসী। ফটক নির্মাণের নামে দুই বছরের বেশি সময় ধরে সড়কের অর্ধেক বন্ধ করে রাখায় দুর্ভোগও বেড়েছে। উন্নয়নের নামে প্রকল্প বাস্তবায়নে এমন জগাখিচুড়ি নতুন কিছু নয়। এর জন্য কারও কোনো জবাবদিহি নেই বলে বরিশাল সিটির এসব অপ-উন্নয়ন আমাদের দেখতে হলো। সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে আমাদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা কি সক্ষম নন? এ নৈরাজ্য বন্ধ হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন