বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রংপুর সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্যকর্মীরা মোটরসাইকেলের পেছনে টিকা নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে হাটে-বাজারে। সেখানে গিয়ে তাঁরা সাধারণ মানুষকে টিকা দিচ্ছেন। সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে মুঠোফোন নম্বর দিয়ে অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে তাৎক্ষণিক নিবন্ধন করে তাঁরা টিকা দিচ্ছেন। এতে অনলাইনে টিকার নিবন্ধন কিংবা খুদে বার্তার অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না। ফলে মানুষ আগ্রহ নিয়ে টিকা নিতে আসছেন।

এ কার্যক্রমে নিবন্ধন প্রক্রিয়া যেহেতু খুব সহজ, সেহেতু সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়বেই। প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা নিজেদের উদ্যোগে এ টিকাদান কার্যক্রমের ব্যাপারে প্রচারণা চালাচ্ছেন। রংপুর সিটি করপোরেশনের এ কার্যক্রম অন্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের জন্য অনুসরণীয় হতে পারে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনায় বলা হয়েছিল, দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। এর অর্থ সাড়ে ১৩ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনা। এ লক্ষ্য পূরণে তাঁদের সবাইকে দুই ডোজ করে টিকা দিতে হবে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব বলছে, এক বছরে পূর্ণ দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন ২৮ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ।

বাস্তবতা হলো নিবন্ধন করে মানুষ টিকার অপেক্ষায় আছেন। টিকার মজুত আছে। কিন্তু টিকাদানের গতি বাড়ছে না। কারণ, টিকা পাওয়ার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে শুরু থেকে যে জটিলতা ছিল, বছর শেষেও তা রয়ে গেছে। ছয় কোটির মতো মানুষ এখনো নিবন্ধনই করেননি। টিকাদানের গতি বাড়াতে হলে স্বাস্থ্যকর্মীদেরই প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের দ্বারে দ্বারে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে রংপুর সিটি করপোরেশন যে কার্যক্রম শুরু করেছে, সেটিকেই মডেল হিসেবে ধরে সামনে এগোনো যেতে পারে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন