বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর জন্য সিটি মেয়র ও কাউন্সিলররা দুষছেন ঠিকাদারকে। সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান বলেন, ‘ঠিকাদার আমাদের একটু বিপদে ফেলে দিয়েছেন। তাঁর বড় কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু অলিগলির রাস্তা করার অভিজ্ঞতা নেই।’ তাহলে প্রশ্ন ওঠে, কীভাবে এই ঠিকাদার প্রকল্পের কাজ পেলেন। এর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। এখানে রাজনৈতিক প্রভাব বা ভাগ-বাঁটোয়ারার বিষয় থাকলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এসব খেয়ালখুশির ফল ভোগ করতে হচ্ছে নগরবাসীকে। বছরের পর বছর ধরে কোনো উন্নয়ন না হওয়ায় নগরের অনেক এলাকার অবস্থা বেহাল। বৃষ্টি হলেই নর্দমার পানি ঢুকে যায় ঘরের ভেতরে, নড়বড়ে রাস্তায় গাড়ি চালানোই দায় হয়ে পড়েছে এমনকি বয়স্ক কোনো ব্যক্তিরও ঠিকঠাক হেঁটে চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

জনগণের কথা মাথায় রেখে প্রকল্প নেওয়া হলেও দেখা যায়, সেখানে প্রকল্প–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ঠিকাদারদের স্বার্থই প্রধান হয়ে ওঠে। যার কারণে রাজশাহীর প্রকল্পগুলোতে এমন ঠিকাদারের দেখা পাই আমরা। ঠিকাদারের কাজ নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। এই ঠিকাদার কীভাবে এ প্রকল্পের কাজ পেলেন, সেই দায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনকে নিতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন