বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি যথেষ্ট যৌক্তিক। এই উপজেলায় লক্ষাধিক মানুষের বাস। এখানে বর্তমানে চার হাজারের মতো গ্রাহক দিনে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। সৌরবিদ্যুতের বাইরে ডিজেলচালিত ইঞ্জিনে ৭০০ থেকে ৭৫০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে ওজোপাডিকো (ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড)। দিনে কয়েক ঘণ্টার জন্য সেই বিদ্যুৎ পাচ্ছেন উপজেলা শহরের হাজিরহাট বাজার ও আশপাশের ৮৫৪ গ্রাহক। এর বাইরে বাংলাবাজার, সিরাজগঞ্জ বাজার ও কাউয়ারটেক এলাকায় সৌরবিদ্যুতের যে তিনটি মিনি গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, তা ‘প্রি-পেইড’ পদ্ধতিতে ৩০ টাকা ইউনিট দরে কিনতে হয়। এই দামে বিদ্যুৎ কেনা সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের বাইরে।

এখন ৬৫০ কোটি টাকা খরচ করে যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে বলে বলা হচ্ছে, তা আসলে স্থানীয় মানুষের খুব একটা কাজে আসবে না। সে কারণে জাতীয় গ্রিড থেকে যদি বিদ্যুৎ আনা হয়, তাহলে মনপুরাবাসী প্রকৃতপক্ষে উপকৃত হবে। মনপুরার বাসিন্দারা জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ চাইলেও সরকারের দিক থেকে তা নিয়ে কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের বাস্তবতায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায়, বৃহৎ জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ থেকে প্রভাবশালী মহল ফায়দা তোলে। এই দুর্ভোগ উঠে গেলে তাদের পকেট ভারী হওয়ার পথও বন্ধ হয়ে যায়। মনপুরায় জাতীয় গ্রেড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অনীহার পেছনে সে ধরনের কোনো চক্রের হাত আছে কি না, তা দ্রুত সরকারকে তলিয়ে দেখতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন