সেতুটির পশ্চিম পাশে সুভুকুঁড়া, মোহাম্মদপুর উত্তরপাড়া, ফকিরপাড়া, পুড়ারচর, চর বাবনা ও মরাকান্দি গ্রাম। দুই পাশে অনেকগুলো গ্রাম ও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় সেখানে সেতুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তবে ২০২০ সালে সেতুটি ধসে পড়ে। এ কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ প্রায় ১০ হাজার সাধারণ মানুষকে। চর এলাকা হওয়ায় সেখানকার কৃষকেরা অসুবিধায় পড়েছেন। উৎপাদিত কৃষিপণ্য উপজেলা শহরে নিয়ে বিক্রি করতে ঘুরতে হচ্ছে অতিরিক্ত পথ।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, জনপ্রতিনিধিদের কাছে অনেক ধরনা দেওয়ার পর সেতুর পাশ দিয়ে মাটি কেটে চলাচল করা হয়। কিন্তু দুই বছরেও সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যানবাহনের চলাচল না থাকায় ১৪টি গ্রামের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বর্ষা মৌসুমে চলাচলের রাস্তাটিও পানিতে তলিয়ে যায়। জামালপুর এলজিইডি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বিকল্প হিসেবে সেখানে একটি ডাইভারশন সড়ক করে দেওয়া হয়েছে। একটি নতুন সেতু নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। দ্রুত সেতু নির্মাণ করা হবে।

সেতু নির্মাণের উদ্যোগের কথা বলা হলেও সময়ক্ষেপণের বিষয়টি নতুন কিছু না। আমরা চাইব, এ ক্ষেত্রে তেমনটি যেন না ঘটে। গোয়ালেরচরে সেতুটি নির্মাণের বিষয়টি যেন আশ্বাসেই আটকে না থাকে। আমরা এলজিইডি কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে আস্থা রাখতে চাই।