এ তালিকা ছাড়াও খাল দখলের অভিযোগ আছে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কাজল কান্তি দাশ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অমল কান্তি দাশসহ অনেকের বিরুদ্ধে।

কোথাও খালের প্রবাহে ব্যাঘাত ঘটিয়ে, কোথাও খালের সীমানায়, এমনকি সাঙ্গু নদে পড়ার আগে খালের মুখেই গড়ে তোলা হয়েছে বহুতল হোটেল, দোকান, ঘরবাড়িসহ নানা স্থাপনা। কেউ জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন বাজার ফান্ড থেকে ইজারা নিয়ে, কেউবা ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা নিয়ে এসব স্থাপনা করেছেন খাল দখল করে। বাজার ফান্ড ভূমি উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করে থাকে। প্রশাসন বলছে, বাজার ফান্ড থেকে খালের জায়গা ইজারা দেওয়ার কোনো প্রশ্নেই আসে না; বরং ইজারা দেওয়া জায়গা বাড়িয়ে নিয়ে দখলের ঘটনা ঘটেছে।

খাল দখলে রাজনৈতিক নেতাদের ‘প্রতিযোগিতা’য় উৎসাহিত হচ্ছে সাধারণ মানুষও। জেলা প্রশাসনও দখলবাজির বিষয়টি স্বীকার করছে। কিন্তু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে তাদের কার্যত কোনো উদ্যোগ আমরা দেখি না।

দখলদারদের মধ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা থাকায় কি প্রশাসন ‘ভয়’ পাচ্ছে? সিএস জরিপ না থাকার ‘অজুহাত’-এ খাল রক্ষণাবেক্ষণে দায়িত্বে থাকা বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যেও কোনো ধরনের তৎপরতা নেই।

ভিন্ন কী উপায়ে খালের জমি বা সীমানা নির্ধারণ করা যায়, সেই উদ্যোগও নেই তাদের। তাহলে কি বান্দরবানের খালটি অস্তিত্বহীন হতে দেখব আমরা?