যে খুনের মামলায় বাদল ফরাজির সাজা হয়েছিল, সেই ঘটনাটি ঘটেছিল তাঁর ভারতে প্রবেশের আগে। এরপরও ভারতের আদালতে কেন তাঁর সাজা হলো, দিল্লি হাইকোর্টে কীভাবে তা বহাল থাকল, এগুলো খুবই বিস্ময়কর ঘটনা। এ ক্ষেত্রে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের দায় এড়াতে পারে না।

বাদল ফরাজিকে দেশে ফিরিয়ে আনার সরকারি উদ্যোগ ছিল ইতিবাচক একটি বিষয়। তাঁকে ফিরিয়ে এনেই মুক্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বাদল ফরাজি যে নির্দোষ, মন্ত্রী নিজেও সেটা স্বীকার করেছেন। তাহলে কেন তাঁকে ভারতের আদালতের দেওয়া সাজা পূর্ণ মেয়াদে ভোগ করতে হলো এবং কারাভোগের পরও তাঁর মুক্তি নেই কেন, সে প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই।

প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত ২০ জুলাই বাদল ফরাজির কারাভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে চিঠি চালাচালি শুরু হয়েছে। কিন্তু কবে এবং কীভাবে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকারের উচিত ‘অন্যায়ভাবে’ দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং কারাভোগ করা বাদল ফরাজির অবিলম্বে মুক্তির ব্যবস্থা করা। তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া অন্যায় ও অমানবিকতার দ্রুত অবসান হবে, সেটাই বিধেয়। সেটাই কাম্য।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন