অথচ কেন্দ্রটি থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনে দ্যুতি ছড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল অনেক খুদে খেলোয়াড়। অনেকে জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়েও জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু তাদের সেই স্বপ্নে ছেদ পড়েছে। মাঠের অভাবে এখন তারা অনুশীলন করতে পারছে না।

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ২০০৭ সালের দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর এলাকায় স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে ১২ একর জমি কিনে একটি ক্রীড়া প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেন প্রবাসী সৈয়দ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। ক্রীড়া প্রশিক্ষণকেন্দ্র হবে শুনে অনেকে নামমাত্র দামে জমি দিয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠার পর কেন্দ্রটির নাম দেন পল্লীবীর স্পোর্টস সেন্টার।

সেখানে নিয়মিত অনুশীলন করে স্কিপিং রোপে (দড়িলাফ) নির্দিষ্ট সময়ে এক পায়ে সর্বোচ্চ লাফিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছেন রাসেল ইসলাম। তঁার মতে, প্রশিক্ষণকেন্দ্রের অনেক ছেলেমেয়েই ফুটবল, ক্রিকেট কিংবা অন্য কোনো খেলায় জাতীয় পর্যায়ে খেলার স্বপ্ন দেখত। মাঠ বিক্রি হয়ে যাওয়ায় সেই স্বপ্নও বিক্রি হয়ে গেল।

প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রশিক্ষণার্থী, স্থানীয় শিশু-কিশোরদের দাবি অন্তত খেলার মাঠটা যেন রক্ষা পায়। ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থাও এ দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে। কিন্তু মাঠ রক্ষার একটা কার্যকর উপায় বের করা জরুরি। সে ক্ষেত্রে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকেই স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করে মাঠ রক্ষার পথ খুঁজে বের করতে হবে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থ, শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলায় তাদের উৎসাহিত করার বিকল্প নেই। দেশে আর একটি মাঠও যেন শিশু-কিশোরদের হাতছাড়া না হয়, সরকারের দিক থেকে সেই উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন