স্টেশনগুলোতে একজন স্টেশনমাস্টার ও সহকারী মাস্টার এবং চারজন করে পয়েন্টসম্যান থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ স্টেশনে সব পদ শূন্য। রাতে ট্রেনের চালককে সংকেত দেওয়া, যাত্রীদের সহায়তা করা এবং টিকিট কাটার কাজ বন্ধ থাকলেও এসব স্টেশনে কিন্তু ঠিকই ট্রেন থামছে, যাত্রীরাও ওঠানামা করছেন। ফলে ট্রেনের গতি কমিয়ে দিতে বাধ্য হন চালকেরা।

এতে প্রতিনিয়ত ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটে। রেলওয়ে–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জনবলসংকটের কারণে আরও জেলায় এমন অনেক স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে। গত অক্টোবরে প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনেও রেলওয়েতে তীব্র জনবলসংকটের বিষয়টি উঠে আসে। যাতে বলা হয়, অনুমোদিত জনবলের চেয়ে ৪৮ শতাংশ কম কর্মী নিয়ে চলছে রেলওয়ে। ঘাটতি পোষাতে দীর্ঘদিন ধরে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে লোক নিয়োগ দিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সরকার রেলের অনুমোদিত জনবলকাঠামো আরও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু নানা মামলা-মোকদ্দমা ও দুর্নীতির কারণে সময়মতো লোকবল নিয়োগ দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

এ জন্য অবসরে যাওয়া কর্মী ও অন্য কর্মীদের দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। কথা হচ্ছে, এভাবে আর কত দিন?

বছরের পর বছর ধরে রেলওয়ের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার দায় যাত্রীরাই কেন বহন করবেন। আমরা জানি না, জামালপুরের যাত্রীদের ভোগান্তি ও দুর্ভোগ কবে শেষ হবে। জরুরি ভিত্তিতে ময়মনসিংহ থেকে দেওয়ানগঞ্জগামী মেইল ট্রেনটি চালু করে জনভোগান্তি দূর করুন।