চি ঠি প ত্র
সময়সূচিপ্রাথমিক সমাপনী বা পিএসসি পরীক্ষার জন্য ১০ থেকে ১২ বছর বয়সের শিক্ষার্থীরা একটি নতুন পাঠ্যক্রম ও নতুন পরীক্ষাপদ্ধতিতে পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বছরের শুরুতে জানুয়ারি মাসে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছালেও নতুন পরীক্ষাপদ্ধতি (যেমন নৈর্ব্যক্তিক, সৃজনশীল ও যোগ্যতাভিত্তিক) শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাতে অনেক বিলম্ব হয়ে গেছে। অর্থাৎ মে ২০১৩ সালের প্রথম দিকে শিক্ষার্থীদের হাতে এসে পৌঁছেছে। তাই জানুয়ারি থেকে মে—এই পাঁচ মাস শিক্ষার্থীরা কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি এবং এই সময়টুকু তাদের শিক্ষাবর্ষ থেকে ঝরে গেছে, যার প্রভাব পড়তে পারে আসন্ন সমাপনী পরীক্ষায়। আবার গত জুন মাসে যে সমাপনী পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে শিক্ষার্থীদের হতাশা আরও বেড়েছে। পরীক্ষার সময়সূচিতে গণিত-বাংলা, ইংরেজি-বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান-ধর্ম পরপর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়সূচিতে বাংলা, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং ধর্ম বিষয়ের পরীক্ষার মাঝে কোনো সময় (Gap) রাখা হয়নি। এ ছাড়া শনিবার কোনো পরীক্ষা রাখা হয়নি, যদিও শিক্ষা ক্ষেত্রে শনিবারকে ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয় না।এমতাবস্থায়, পরীক্ষার সময়সূচিতে এক দিন পর পর পরীক্ষার দিন নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এক দিন পর পর অর্থাৎ এক বিষয়ের মাঝে আরেক বিষয়ের জন্য এক দিন করে সময় পেলে বাংলার অজপাড়াগাঁয়ের স্কুলগুলোর কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা শুধু উপকৃতই হবে না বরং ভালোভাবে রিভিশন করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফলতার সঙ্গে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারবে। এমনকি পরীক্ষায় পাসের হারও বাড়বে বলে আশা করা যায়। উক্ত বক্তব্যের আলোকে, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করার ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর এবং সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।মো. হারুন অর রশীদপতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।সিলের বদলে টিক চিহ্ননির্বাচনে ভোটে ব্যালট পেপারে প্রতীকের ওপর সিল মারার পরিবর্তে সাইনপেন দিয়ে টিক চিহ্ন দেওয়ার প্রথা চালু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। যাঁরা অশিক্ষিত, তাঁদের পক্ষে কলম ধরাই সহজ নয়। কিন্তু তাঁদের পক্ষে সিল মারা সহজ। সিল মারার ব্যাপারে জনগণকে সচেতন করলেই হয়। টিক চিহ্নের প্রয়োজন হয় না।তাই নির্বাচন কমিশনকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামত ছাড়া এ ধরনের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার অনুরোধ করছি। মো. মনির হোসেনবাসাবো, ঢাকা।