বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: দেড় বছর ধরে যে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের বাইরে ছিল, তাদের কোন পর্যায় থেকে পাঠদান শুরু করা উচিত বলে মনে করেন?

মো. আবদুস সালাম: আমাদের মনে রাখতে হবে, গত বছর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। সে ক্ষেত্রে প্রায় দুটি শিক্ষাবর্ষ আমরা হারিয়ে ফেলেছি। ২০২০ শিক্ষাবর্ষের পাঠদান শুরু না হতেই আমরা করোনার মধ্যে পড়ে গেলাম। ধরুন, যে শিক্ষার্থী দ্বিতীয় শ্রেণিতে ছিল, তার প্রারম্ভিক পাঠও সে শেষ করতে পারেনি। এরপর অটো পাস দিয়ে তাকে তৃতীয় শ্রেণিতে ওঠানো হলো। এরপরও ৯ মাস সে শ্রেণিকক্ষের বাইরে আছে। যারা পঞ্চম থেকে ষষ্ঠ, অষ্টম থেকে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদেরও একই অভিজ্ঞতা। পরের শ্রেণিতে উঠতে যেকোনো শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম মান অর্জন করতে হয়। এই শিক্ষার্থীরা সেই সুযোগ পায়নি। তাই আজ ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও শিক্ষাটা খুলতে সময় লাগবে। এরপর যদি সরকার সমাপনী পরীক্ষা নিতে চায়, ক্লাসের সময় আরও কমে যাবে।

প্রথম আলো: কোনো কোনো শিক্ষাবিদ এবারের বার্ষিক পরীক্ষাটা ডিসেম্বরে না নিয়ে মার্চে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাতে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া যাবে।

মো. আবদুস সালাম: আমি ওই প্রস্তাবের সঙ্গে কিছুটা একমত। এ ক্ষেত্রে সরকারেরও একটি পরিকল্পনা আছে। লার্নিং রিকভারি প্ল্যান বা পাঠ পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে গেলে কোথায় কী সমস্যা হচ্ছে, তা শনাক্ত করতে হবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমস্যা এক নয়। আমি তিন মাস নয়, চার মাসের পক্ষে। প্রতিটি শিক্ষার্থী দুটি শিক্ষাবর্ষ হারিয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে মৌলিক বিষয়ে নমনীয় পাঠক্রম চালু করে হলেও প্রথম দুই মাস, অর্থাৎ অক্টোবর-নভেম্বর আগের শ্রেণির পাঠ নেবে এবং পরের দুই মাস, অর্থাৎ ডিসেম্বর-জানুয়ারি পরের শ্রেণির। এটি আমরা ফলপ্রসূভাবে করতে পারি। ধারণা করি, কোভিড খুব তাড়াতাড়ি যাবে না। ফলে এর সঙ্গে খাপ খাইয়েই আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে আমি বলব, মার্চ পর্যন্ত যেতে হবে না।

প্রথম আলো: এরই মধ্যে সরকার পঞ্চম শ্রেণিতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি কতটা বাস্তবসম্মত বলে মনে করেন?

মো. আবদুস সালাম: আমি পঞ্চম শ্রেণিতে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়ার একদম পক্ষে নই। আগেও ছিলাম না। পাঠ পুনরুদ্ধার পরিকল্পনায় এ ধরনের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পরীক্ষা নিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে একধরনের ভীতি আছে। দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সবাই মানসিক চাপের মধ্যে আছে। ডিসেম্বরে সমাপনী পরীক্ষা না নিয়ে পাঠ পুনরুদ্ধারের ওপরই জোর দেওয়া উচিত। আমরা যদি শিক্ষার্থীদের মান মূল্যায়ন করে দিই, তাহলে তাদের পরবর্তী শ্রেণির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে পারব। পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার বিষয়ে বলব, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দুই মাসের মধ্যে এ রকম একটি পরীক্ষা মনস্তাত্ত্বিকভাবে কিংবা শিক্ষাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রথম আলো: সরকারের শিক্ষা পরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তবতার মিল কতটা আছে বলে মনে করেন? সংকট উত্তরণে সরকারের পরিকল্পনাই-বা কী?

মো. আবদুস সালাম: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি পরিকল্পনা নিয়েছে। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিকে (নেপ) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রিকভারি প্ল্যান তৈরি করতে। সেই পরিকল্পনায় কোথায় কী সমস্যা আছে, সেসব পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। অবকাঠামোগত সমস্যা তো আছেই। শিক্ষকেরাও প্রস্তুত নন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগেই শিক্ষার্থীদের হোমওয়ার্ক বা কার্যক্রমপত্র দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষককে বলা হয়েছে, এই পত্র যেন শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেন। বন্ধের সময় কোন শিক্ষার্থী টেলিভিশন বা অন্য কোন মাধ্যমে কী শিখেছে, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

প্রথম আলো: করোনা সংক্রমণের হার দেশের সবখানে, সব সময় এক ছিল না। ডেলটা ধরন আসার আগে করোনা সংক্রমণ মূলত শহরাঞ্চলেই সীমিত ছিল। সে ক্ষেত্রে দেড় বছর ধরে একনাগাড়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার প্রয়োজন ছিল কি?

মো. আবদুস সালাম: এটি আমাকে একেবারে হতাশ করেছে। করোনার প্রথম দিকে এ-সংক্রান্ত মিডিয়াকে আমি বলেছি, আমাদের সুনির্দিষ্ট শিক্ষা পরিকল্পনা থাকতে হবে। ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা স্তর পর্যন্ত আমাদের কাছে তথ্য আছে। যেসব স্থানে করোনার সংক্রমণ কম ছিল, সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার যুক্তি ছিল না। প্রথম দিকে ঢাকায় যে হারে সংক্রমণ ছিল, সেই হারে খুলনা বা রংপুরে ছিল না। গ্রামাঞ্চলে প্রথম বছরে সংক্রমণ খুবই কম ছিল। অর্থাৎ মোটামুটি নিরাপদ ছিল। সেখানকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন আমরা বন্ধ করলাম? এলাকাভিত্তিক মূল্যায়ন না করে কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি। আমরা পুরো দেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ—এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করতে পারতাম। ভবিষ্যতেও সে ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। করোনায় শিক্ষাক্ষেত্রে আমাদের যে বিরাট ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে এলাকাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

প্রথম আলো: অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশ, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে?

মো. আবদুস সালাম: তথ্যপ্রযুক্তিতে তারা আমাদের থেকে এগিয়ে আছে। তাদের ডিজিটাল অবকাঠামো মজবুত। বাংলাদেশের শতভাগ মানুষের ঘরে টেলিভিশন নেই, রেডিও নেই, সবার হাতে মোবাইল নেই। গত জানুয়ারি মাসে এক জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা মাত্র ২৮ দশমিক ৮ শতাংশ। ভারত অনেক আগেই অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছে। আমরা হঠাৎ এটি চালু করেছি। চালু করার পর সমস্যা দেখা গেল, এসব ডিভাইস চালানোর মতো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই। আবার শিক্ষকেরা চালালেই হবে না, শিক্ষার্থীদেরও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার সক্ষমতা থাকতে হবে। ভারতসহ সব দেশই গুচ্ছ পদ্ধতিতে এলাকাভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি, সেসব এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। যেসব এলাকায় কম, সেখানে খোলা রেখেছে। আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোভিড মোকাবিলা ও শিক্ষা কার্যক্রম—দুই ক্ষেত্রেই।

প্রথম আলো: দেড় বছর ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষা ভয়াবহ সংকটের মধ্যে পড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে সংকট উত্তরণে কোনো চেষ্টা ছিল কি?

মো. আবদুস সালাম: সরকারের পক্ষ থেকে একটা চেষ্টা ছিল। আমরা বিভিন্ন সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে তা-ই দেখেছি। অনেক সময়ই নীতিনির্ধারকেরা পরিস্থিতি দেখে বলেছেন, শিগগিরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। এক মাস, দুই মাস করতে করতে ১৮ মাস চলে গেল। এতে আমাদের বিরাট ক্ষতি হয়েছে। তারপরও আমরা দেখেছি, বিভিন্ন স্থানে শিক্ষকেরা নিজস্ব পেজ খুলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেছেন। তাঁরা ওপরের নির্দেশের অপেক্ষায় থাকেননি। এ জন্য তাঁদের কোনো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি। আমাদের লাখ লাখ শিক্ষক আছেন। প্রতিদিন একজন শিক্ষক যদি চারজন শিক্ষার্থীর কাছেও যেতেন, তাহলে বিরাটসংখ্যক শিক্ষার্থীকে শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় আনা যেত। আমরা নিম্ন আয়ের মানুষকে, তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের কারখানায় পাঠালাম। কিন্তু শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হলো। শিক্ষাও যে একটি বড় শিল্প ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করার জন্য, সেটি নীতিনির্ধারকদের ভাবনায় ছিল বলে মনে হয়নি।

প্রথম আলো: এবার আসি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা প্রসঙ্গে। বিশেষ করে যাঁরা স্নাতক শেষ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন, তাঁদের জীবন থেকে তো দুটি বছর ঝরে গেছে। করোনা না থাকলে তাঁরা হয়তো শিক্ষাজীবন শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারতেন।

মো. আবদুস সালাম: মনে রাখতে হবে, এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বৈশ্বিক মহামারি। অতএব, আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে দুই বছর চলে গেছে, বিষয়টি এভাবে দেখা যাবে না। এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চাকরির বয়সের ক্ষেত্রে ২১ মাস বাড়িয়েছে সরকার। প্রয়োজনে আরও ছয় মাস বাড়ানো যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার ব্যাপারে মারাত্মক দুর্বলতা ছিল। আইনগত বাধা ছিল। আমি ২০০৯ সাল থেকে অনলাইনে দেশের বাইরে ক্লাস নিই। আমার সঙ্গে যাঁরা গবেষণা করেন, তাঁরাও এর মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। কিন্তু আইসিটি আইনে অনলাইনে উচ্চশিক্ষার অনুমোদন ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হলেও একাডেমিক কাউন্সিল তো দেশের আইন অমান্য করতে পারে না। পরে আইনটি সংশোধন করা হয়েছে। আবার বলা হলো অনলাইনে ক্লাস করলেও পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্লাস করার উৎসাহ কম ছিল। পরে যখন পরীক্ষা নেওয়া হলো, প্রায় সব শিক্ষার্থী ক্লাসে এল, পরীক্ষাও দিল। আমরা বকেয়া পরীক্ষাগুলো নিয়েছি। কিন্তু ইতিমধ্যে অনেক সময় পার হয়ে গেছে।

প্রথম আলো: সরকার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে একটি রূপরেখা দিয়েছে। বিভাগীয় তিনটি বিষয়ে পরীক্ষা হবে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও ঐচ্ছিক বিষয়ে পরীক্ষা হবে না। অনেকে এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। আপনি কী বলেন?

মো. আবদুস সালাম: আমি মনে করি, কেবল বিভাগীয় বিষয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে বাংলা, ইংরেজি, গণিতসহ—ছয়টি বিষয়েই পরীক্ষা নেওয়া যেত। সরকার বিভাগীয় তিনটি বিষয়ে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা যদি ভাষাই না শেখে, তাহলে শিক্ষার ভিত তৈরি হবে কীভাবে? এসএসসিতে তিনটি বিভাগ—বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক। সব বিষয়ে ১০০ নম্বরে পরীক্ষা হতে হবে কেন? তিনটি মিলে ১৫০-এ হতে পারত। বাকি ৫০ করে বাংলা ইংরেজি ও গণিতে ভাগ করে পরীক্ষা নেওয়া যেত। তাতে শিক্ষার্থীদের সব বিষয়েই কিছু না কিছু জ্ঞান লাভ হতো। বাংলা, ইংরেজি ও গণিত একেবারে ছেড়ে দেওয়াকে আমি সমর্থন করি না।

প্রথম আলো: আপনি শিক্ষা-গবেষণার শিক্ষক। বাংলাদেশে শিক্ষা–গবেষণার হাল কী? শিক্ষা–গবেষণায় বরাদ্দ খুবই কম বলে অভিযোগ আছে।

মো. আবদুস সালাম: অভিযোগ সত্য। শিক্ষার মানের অবনতিরও কারণ গবেষণার ঘাটতি। যাঁরা গবেষণা করবেন, যাঁরা বিশেষজ্ঞ, তাঁদের সঙ্গে নীতিনির্ধারকদের চিন্তার মিল কম। মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্র সবার। যেমন আমলাদের, নীতিনির্ধারকদের; তেমনি শিক্ষাবিদ-গবেষকদেরও। সবার উদ্দেশ্য দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণ। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আমাদের শিক্ষা গবেষণায় বরাদ্দ নেই বললেই চলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শতাংশের কম। আমাদের গবেষণার জন্য বিদেশি তহবিলের জন্য মুখিয়ে থাকতে হয়। কেননা, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় তহবিল নেই। বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ধরনের শিক্ষক থাকেন। গবেষক শিক্ষক ও পাঠদানকারী শিক্ষক। যেসব শিক্ষক গবেষণায় বেশি সময় দেন, তঁাদের পাঠদানের চাপ কম থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা গবেষণা করে যেসব তথ্য-উপাত্ত পান, সরকারের নীতিনির্ধারকেরা তার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নীতি-পরিকল্পনা তৈরি করেন। আমাদের এখানে সেই সংস্কৃতি এখনো গড়ে ওঠেনি। গবেষণা ও কর্মপরিকল্পনার মধ্যে সংহতি তৈরি হয়নি। অথচ দেশের উন্নয়নে সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি।

প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।

মো. আবদুস সালাম: আপনাকেও ধন্যবাদ।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন