জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালকের দায়িত্ব থেকে আপনাকে হঠাৎ অব্যাহতি দেওয়া হলো কেন, আপনি কি কিছু বুঝতে পারছেন?
আফসানা বেগম: আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি না। তবে আমি অনেকের ঈর্ষার শিকার হয়েছি। আমরা যারা একসঙ্গে আন্দোলন করেছি, তাদের ঐক্য তো ভেঙে পড়েছে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা অনিয়ম হয়তো নয়, কিন্তু কোনো সৌজন্যবোধ কি থাকবে না? মতের সঙ্গে না মিললেই খারাপ চোখে দেখা হবে? মতপ্রকাশের অধিকারের জন্যই কি আমরা গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিইনি?
অব্যাহতির পরে বিষয়টি নিয়ে আপনি ফেসবুকে অনেক কথা লিখেছেন। কেমন প্রতিক্রিয়া পেলেন?
আফসানা বেগম: আমার সঙ্গে যে একটা অন্যায় করা হয়েছে, পরিচিতি–অপরিচিত বহু মানুষকে সে বিষয়ে একমত হতে দেখছি। অনেকে উদ্বিগ্ন হচ্ছেন। দলবদ্ধভাবে কেউ কেউ আমার বিরুদ্ধেও লিখছেন। তাঁদের সংখ্যা নগণ্য। তাঁরা গ্রন্থকেন্দ্রের ক্রয়ের অনুমোদিত বইয়ের একটি তালিকা ফেসবুকে দিচ্ছেন। সেখানে নির্মলেন্দু গুণ, সেলিনা হোসেনসহ বিভিন্ন লেখকের বইয়ের উল্লেখ করে বলছেন, আমি নাকি বিগত স্বৈরাচারের ঘনিষ্ঠ লেখকদের বই কেনার অনুমোদন দিয়েছি।
গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালকের তো অনুমোদন দেওয়ার কোনো এখতিয়ারই নেই। বই নির্বাচন কমিটি কেবল সুপারিশ করতে পারে। সুপারিশের তালিকা অনুমোদন করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব। সচিব যেকোনো বই তালিকা থেকে বাদ দিতে পারেন, দু–একটি বই বাদও দিয়েছিলেন। যাঁদের নাম উঠছে, তাঁদের বইগুলো তিনি বাদ দিলেন না কেন? আবার কারও কারও নাম দিয়ে বলা হচ্ছে, এঁদের বই কেন নেওয়া হয়নি? যাঁরা বলছেন, তাঁরা বই নির্বাচনের নীতিমালা না পড়েই বলছেন।
নির্বাচন কমিটি কেবল প্রকাশকদের দেওয়া তালিকা থেকেই বই বাছাই করতে পারে। তার বাইরে যেতে পারেন না। কমিটির দুজন সদস্যের বই নির্বাচন করারও সমালোচনা করেছেন কেউ কেউ। দুজনই প্রতিষ্ঠিত লেখক। তাঁরা দুজনই তাঁদের বই না রাখার অনুরোধ করেছিলেন। কমিটির অন্য সদস্যরা বই রাখার পক্ষে মত দেন। কারণ, নীতিমালায় এটা নিয়ে কোনো বারণ ছিল না।
জুলাই আন্দোলনকারীদের লেখা বই না কেনার অভিযোগও করা হয়েছে। এটাও অযৌক্তিক। কারণ, বইয়ের তালিকা অনুমোদিত হয়েছিল ২০২৪ সালের শেষ দিকে। তখন পর্যন্ত জুলাই আন্দোলন নিয়ে মাত্র তিন–চারটি বই প্রকাশিত হয়েছিল। সেগুলো ওই তালিকায় ছিল। পরে এ বিষয়ে অনেক বই বেরোয়। সে রকম প্রায় ২০০টি বই নিয়ে আমরা কক্সবাজারে ‘গণ–অভ্যুত্থান স্মরণে জেলা বইমেলা’ করেছি, ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় অমর একুশে বইমেলায় এবং জুলাই মাসে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের গ্রন্থ ভবনে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি। ফলে আমার বিরুদ্ধে চালানো প্রচারণাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
অব্যাহতির আগে কি টের পাননি এমন একটা ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে?
আফসানা বেগম: দায়িত্বে থাকাকালে আমি সংস্কৃতি উপদেষ্টার সঙ্গে দূরত্বের বিষয়টি বুঝতে পারিনি। উপদেষ্টার সঙ্গে গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালকের সরাসরি কোনো কাজ থাকে না। দাপ্তরিক প্রয়োজন থাকে শাখাপ্রধানের ও মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে। তাঁদের সঙ্গেই যোগাযোগ করেছি। অবশ্য দায়িত্ব গ্রহণের শুরুর দিকে প্রায়ই উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। পরের দিকে কমতে থাকে। অন্য কাজে আমিও ব্যস্ত হয়ে পড়ি।
দূরত্ব তৈরি হওয়ার আর কোনো কারণ ছিল?
আফসানা বেগম: মন্ত্রণালয়ের সচিব আমাকে তিনটি কারণ বলেছিলেন—আমি অনুদানের ফান্ড বা কোটা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছি, আমি ওই ফান্ডের রেজোল্যুশনে ভুলের কারণে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিলাম, আর তাজউদ্দীন আহমদকে নিয়ে অনুষ্ঠান করেছি। নীতিমালা–সংক্রান্ত কমিটির সভার রেজোল্যুশনে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। নীতিগতভাবে আমি কোটা রাখার পক্ষে ছিলাম না।
এ কারণে প্রথমে রেজোল্যুশন ছাড়া সংশোধিত নীতিমালায় স্বাক্ষর করিনি। আমি চেয়েছিলাম জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র থেকে যে নীতিমালায় কোটা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে, সেটা অন্তত রেজোল্যুশনে থাকুক। সে কারণে পরে আমাকে রেজোল্যুশন পাঠানো হয়েছিল। তাতে বেশ কিছু ভুল ছিল। সময়ের স্বল্পতায় ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়ে সংশোধনের জন্য নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিলাম। এতে উপদেষ্টা ও সচিব অসন্তুষ্ট হয়ে থাকতে পারেন। তবে সঠিক কারণ আমার জানা নেই।
কোনো দিক থেকে চাপ ছিল কি?
আফসানা বেগম: হতে পারে। আমি বই কেনার পুরো প্রক্রিয়াটি অটোমেশন করার উদ্যোগ নিয়েছি। এতে একই প্রকাশকের একাধিক নামে বা একই বই ঘুরিয়ে–ফিরিয়ে গছিয়ে দেওয়ার সুযোগ কমে যাবে। বহু প্রকাশকের নিম্নমানের বই আমি ক্রয়যোগ্য বলে মনে করিনি। এসব কারণে প্রকাশকদের একটি অংশ আমার ওপর অসন্তুষ্ট ছিল।
আপনি তাজউদ্দীন আহমদের অনুষ্ঠানের কথা বললেন। তাজউদ্দীন আহমদকে নিয়ে সমস্যা হলো কেন?
আফসানা বেগম: তাজউদ্দীন আহমদের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আমরা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিবন্ধ প্রতিযোগিতা এবং উপস্থিত বক্তৃতার আয়োজন করেছিলাম। মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে বিষয়টি আমরা জানিয়েওছিলাম। অনুষ্ঠানের পরদিন সংস্কৃতিসচিব আমাকে ফোন করে বললেন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিয়ে আমরা কেন অনুষ্ঠান করলাম? আমি তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি, স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে জানার দরকার আছে। অনুষ্ঠানে মঈদুল হাসান এবং তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে শারমিন আহমদ এসেছিলেন। শারমিন আহমদকে আমি চিনতাম না। মঈদুল হাসানের অনুরোধে আমি তাঁকে আমন্ত্রণ করেছিলাম।
আপনি কোটার কথাও বললেন। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের বই কেনা ও পাঠাগারে নগদ বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোটা, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারের দীর্ঘ অভিযোগ রয়েছে।
আফসানা বেগম: সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় বই কেনার কোটা। কিছু কিছু পাঠাগারকে ৭ লাখ, ৮ লাখ, এমনকি ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই ঠিকানায় গিয়ে দেখা গেছে, ওটা একটা গোয়ালঘর। সাবেক প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান ১০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। আগের ২০ শতাংশ কোটার টাকার পুরোটাই এভাবে পানিতে গেছে। এ রকম অস্তিত্বহীন পাঠাগারগুলোকে বাদ দিয়ে কার্যকর পাঠাগারগুলোকে টাকা দিতে পারায় তারা নিয়মিত গ্রন্থাগারিক রাখতে পারল। অনেক বন্ধ হয়ে যাওয়া পাঠাগার খোলার ব্যবস্থা করা হলো।
অনুদানের নিয়মটি কী?
আফসানা বেগম: গ্রন্থকেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী বছরে ৫ কোটি টাকার ফান্ডের মধ্যে আড়াই কোটি টাকা পাঠাগারগুলো নগদ অর্থ পায়। বাকিটা পায় বই হিসেবে। এই ৫ কোটি টাকার ২০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ১ কোটি টাকার সিদ্ধান্ত নেন সরাসরি মন্ত্রী ও সচিব। এটাই তাঁদের কোটা। আর বাকি ৮০ শতাংশের সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়–নির্ধারিত একটি কমিটি।
এখানেও ক্ষমতার প্রভাব থাকে। তবে দুর্নীতিটা মূলত হয় কোটার এই ২০ শতাংশ থেকেই। মন্ত্রী ও সচিবেরা কোনো প্রক্রিয়া ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেন। তাঁরা খোঁজ নিয়ে দেখেন না পাঠাগারটির কোনো অস্তিত্ব আছে কি না কিংবা বইগুলো পাঠাগারের জন্য জরুরি কি না। ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানটাই যেহেতু কোটার বিরুদ্ধে ছিল, আমি চাচ্ছিলাম কোটা তুলে দিতে। কোটার মাধ্যমে অজস্র আজেবাজে বই চলে এসে লাইব্রেরিতে পড়ে থাকত। যেমন শেখ মুজিবকে নিয়ে যত বই এসেছে, তার প্রায় ২০ ভাগ বই নেওয়ার পর বাকি সবগুলো পড়ে আছে। বইগুলো নিম্নমানের, পাঠযোগ্য নয়। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত তো নয়ই।
আপনি ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনের পর জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র অনেক দিন থেকে একটা অকেজো সংগঠনে পরিণত হয়ে ছিল। দায়িত্ব নিয়ে আপনি কী দেখলেন?
আফসানা বেগম: গ্রন্থকেন্দ্রের মূল কাজটা কী, গ্রন্থকেন্দ্রে গিয়ে প্রথম কয়েক দিন শুধু সেটাই বোঝার চেষ্টা করেছি। আইন, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য পড়ে দেখেছি এই প্রতিষ্ঠানটিকে সরকার কী কী দায়িত্ব দিয়েছে। দেখতে পেলাম সত্যিকার অর্থে অর্পিত দায়িত্বের ১০ থেকে ২০ শতাংশ কাজ হয়তো প্রতিষ্ঠানটি করছে। বাকি কাজ যে হচ্ছে না, সে জন্য কারও কোনো মাথাব্যথা বা পরিকল্পনা ছিল না। কোথায় প্রতিষ্ঠানটি বিকশিত হবে, তা নয়; কাজ কমতে কমতে সেটি একটা ছোট্ট প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এবং নামকাওয়াস্তে টিকে আছে।
আপনি কি সংস্কার করতে চাচ্ছিলেন?
আফসানা বেগম: আমার বিশ্বাস ছিল যে আমাকে শুধু রুটিন চাকরি করতে পাঠানো হয়নি, পাঠানো হয়েছে এর সংস্কারের জন্য। প্রথম থেকেই ভেবেছিলাম, প্রতিষ্ঠানটির সংস্কার করতেই হবে। এর সবচেয়ে বড় ইভেন্ট বিভাগীয় বইমেলা। বিভাগীয় বইমেলায় যাওয়া হয়, স্টল হয়, সব হয়। কিন্তু জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের কোনো বিভাগীয় বা শাখা অফিস নেই। তাই টাকা পাঠিয়ে দিতে হয় স্থানীয় প্রশাসনকে। প্রচার–প্রচারণার জন্য টাকা পাঠানো হয়, কিন্তু তার মনিটরিং নেই।
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র হচ্ছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি দপ্তর, আর কমিশনার অফিস হচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন। জেলা প্রশাসন কিংবা বিভাগীয় কমিশনার অফিস জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের কথা শুনবে কেন? বিভাগীয় বইমেলায় আমি নিজে কাজ করেছি, গ্রন্থকেন্দ্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাজে লাগিয়েছি। লিফলেট বানিয়েছি, পোস্টার বানিয়েছি, রিকশায় মাইকিং করিয়েছি। এরপর শিশু–কিশোরের ঢল নেমেছে বইমেলায়। বইমেলার বিক্রি আগে যেখানে ছিল সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা, সেটা পৌঁছেছিল ৩৫ লাখে।
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের মূল সমস্যাটা কোথায় দেখতে পেলেন?
আফসানা বেগম: এর লোকবল খুব কম, মাত্র চারজন কর্মকর্তা। অন্তত পাঁচটা বইমেলা করতে হয়। একটি জেলা পর্যায়ে, আর চারটি বিভাগীয় পর্যায়ে। তাঁদের দিয়েই বইমেলা করছি। এর চেয়ে বেশি করলে অন্য কার্যক্রম করার সুযোগ থাকে না। এসব কারণেই অটোমেশনে যাই। লাইব্রেরি নির্দেশিকা সফটওয়্যারের সঙ্গে আরেকটা সফটওয়্যার সংযুক্ত করা হলো। এটাতে অনলাইনে পাঠাগারগুলো আবেদন করবে।
এই সফটওয়্যারটার কিছু অংশ আগে মন্ত্রণালয় তৈরি করেছিল, কিন্তু কীভাবে ব্যবহার করবে, পাঠাগারগুলো তা জানত না। আমরা ওই সফটওয়্যারটা সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিই। অনলাইনে আবেদন নেওয়া শেষ হয়েছে গত সপ্তাহে। এতে একটা স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত হবে। আগে একই মানুষ তার নামে ১০টি পাঠাগারের আবেদন করে ১০টিরই অনুদান পেয়েছে। এই জিনিসগুলো বন্ধ হয়েছে।
আপনি গ্রন্থকেন্দ্রের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বললেন। এ বিষয়ে কোনো প্রস্তাব দিয়েছিলেন?
আফসানা বেগম: গ্রন্থকেন্দ্র সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটা ‘দপ্তর’। এই দপ্তর কোনো প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ে গেলে যথার্থ গুরুত্ব পাচ্ছে না। ‘অধিদপ্তর’ অনেক বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, এটি এমন একটি দপ্তর, যার প্রধান হন সাধারণত একজন সাহিত্যিক বা বুদ্ধিজীবী। শীর্ষ পদে আমলারা নেই বলে প্রতিষ্ঠানটির প্রতি তাঁদের কোনো আগ্রহ নেই।
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের একটি পরিচালনা পর্ষদ থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি আর্থিক ফাইল অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে যায়। এখানে আমলাদের কোনো স্বার্থ নেই বলে মাসের পর মাস ফাইলের পেছনে ছুটতে হয়। আমার প্রস্তাব ছিল এটিকে একটি অধিদপ্তর বা তার সমমানের যথার্থ অটোনোমাস প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা। আগেও পরিচালনা পর্ষদের সভায় সিদ্ধান্ত ছিল যে একটি অধিদপ্তরের সমমানের একটি প্রতিষ্ঠান হবে, নাম হতে পারে ‘গ্রন্থ উন্নয়ন পরিষদ’।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আফসানা বেগম: আপনাকে ও প্রথম আলোর পাঠকদেরও ধন্যবাদ।