দেশ স্বাধীন হয়েছে তিন বছরও হয়নি তখন। সরকার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে বেশ হিমশিম খাচ্ছে। তখনো অনেক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি মেলেনি—বৈদেশিক বাণিজ্যের পথও উপযুক্ত হয়নি পুরোপুরি। সমাজতান্ত্রিক ভাবধারায় অর্থনীতি গড়ে তোলার নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, ধাক্কা খেয়ে আবার পিছিয়ে আসা হচ্ছে। পুরোনো বাজারকাঠামো ভেঙে যাওয়ায় এবং সরকারের নানাবিধ দুর্বলতার কারণে দ্রব্য ও সেবা প্রাপ্তিতে নানারূপ নৈরাজ্য ও ঘাটতি নাগরিক সমাজের একাংশকে অস্থির করে তুলেছে।
এরূপ একটা অস্থির সময়ে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হলাম ১৯৭৪ সালে, যত দূর মনে পড়ে আগস্ট কিংবা সেপ্টেম্বর মাসে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকে দেশের অবস্থা তখন খুবই দুর্বল। তবে মনে বড় আশা, অর্থনীতি শাস্ত্র অধ্যয়ন করে দারিদ্র্যের অভিশাপে আবদ্ধ এ দেশের অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য ভূমিকা রাখব।
অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হলেই অর্থনীতি শাস্ত্র আয়ত্ত করা যায় না, এর জন্য প্রয়োজন হয় উপযুক্ত শিক্ষক বা ‘গুরু’। অর্থনীতি শাস্ত্রের যে সামান্যতম আয়ত্ত করতে সক্ষম হয়েছি, তার পেছনে যে কজন শিক্ষকের অবদান রয়েছে, তার মধ্যে আনিসুর রহমান স্যার অন্যতম। তাঁর পাঠদানের বিষয় ও পদ্ধতি আমাদের অর্থনীতি অধ্যয়নের সনাতন বলয় থেকে বের করে অর্থনীতিচর্চায় আগ্রহী করে তোলে।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের প্রথম দিনের প্রথম ক্লাসটি নিয়েছিলেন তৎকালীন বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এন হুদা স্যার। রুটিন দেখে জানলাম, পরদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ক্লাসটি নেবেন অধ্যাপক আনিসুর রহমান, পাঠ্যবিষয় ব্যষ্টিক অর্থনীতি (মাইক্রো ইকোনমিকস)। যথাসময়ে দীর্ঘ, ফরসা, সুদর্শন একজন শিক্ষক চক-ডাস্টার হাতে ক্লাসে প্রবেশ করলেন।
সুন্দর সাবলীল প্রাঞ্জল ভাষায় পাঠদান করে চললেন—বিষয়বস্তু মোট, গড় ও প্রান্তিকের মধ্যকার পার্থক্য এবং ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে এর যথাযথ প্রয়োগের পদ্ধতি। তিনি বললেন, অর্থনীতি চর্চা করতে গেলে প্রান্তিক (মার্জিনাল) বিষয়টি ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে। তিনি নিজে এই শব্দ মনেপ্রাণে গ্রহণ করেছিলেন এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য সারা জীবন ভেবেছেন, কাজ করেছেন।
দ্বিতীয় ক্লাসে তাঁর এককালের শিক্ষক হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রবিনসন এটওয়াল (তিনি তাঁকে দিদিমা বলতেন) প্রবন্ধ অনুসরণ করে পাঠদান শুরু করেন। ওই ক্লাসে তিনি গ্রামীণ কৃষকের উৎপাদন আচরণ বিশ্লেষণ করেন। ফসল ভাগাভাগি বনাম খায় খালাসি ( ফিক্সড রেন্ট) পদ্ধতি বিশ্লেষণ করে দেখান—কৃষিক্ষেত্রে বর্গা প্রথা কীভাবে শ্রম নিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে অধিক উৎপাদনকে ব্যাহত করছে। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে আমূল ভূমি সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। তাঁর পাঠদান পদ্ধতি, কথা বলার ভঙ্গি, তত্ত্ব ও তথ্যের বিশ্লেষণ এবং প্রায়োগিক উদাহরণ আমাদের মোহাবিষ্ট করে ফেলে। শ্রেণিকক্ষের সকল ছাত্রছাত্রী একবাক্যে স্যারের ভক্ত হয়ে ওঠেন।
দ্বিতীয় ক্লাস হতেই দুজন তরুণ শিক্ষক আমাদের পেছনের সারিতে বসে ক্লাস করতে থাকেন। ওই দুজন তরুণ শিক্ষক ওয়াহাব ভাই ও রানা ভাই ছিলেন আমাদের টিউটোরিয়াল শিক্ষক। সে সময় অর্থনীতি বিভাগের অবস্থান ছিল কলা ভবনের তিন তলায়, আনিসুর রহমান স্যারের ক্লাসগুলো হতো মূলত তিনতলায় বিভিন্ন কক্ষে সকালের শিফটে। আমরা যারা অনাবাসিক ছাত্র ছিলাম, অর্থাৎ বাড়ি থেকে এসে ক্লাস করতাম, টিএসসি অথবা শরীফ মিয়ার ক্যানটিনে লাঞ্চ সেরে লাইব্রেরিতে ঢুকে পড়তাম। রানা ভাই ও ওয়াহাব ভাইকে দেখতাম ওই সময়ে ওনারাও লাইব্রেরির আশপাশে থাকতেন।
কথা প্রসঙ্গে ওয়াহাব স্যার একদিন জানিয়েছিলেন, আনিসুর রহমান স্যারের নির্দেশেই ওনারা তখন লাইব্রেরির আশপাশে থাকতেন, যাতে কোনো ছাত্রছাত্রীর কোনো কিছু বোঝার প্রয়োজন হলে তাঁদের সহায়তা নিতে পারেন। অর্থনীতি বিভাগে আমাদের ব্যাচ দিয়েই শুরু করা হয় কোর্স সিস্টেম। এ পদ্ধতির আওতায় আমাদের প্রায় প্রতি মাসেই পরীক্ষা দিতে হতো। ছাত্রছাত্রীরা যেন প্রতিটি বিষয় ভালোভাবে রপ্ত করে পরীক্ষায় বসতে পারে—এ কথা মাথায় রেখেই হয়তোবা স্যার এরূপ নির্দেশ দিয়ে থাকবেন। এরূপ মনোভাবের কোনো শিক্ষক আজকের বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে পাওয়া যাবে কি না জানা নেই।
যে কজন বাঙালি অর্থনীতিবিদ পাকিস্তান রাষ্ট্রের দুই অঞ্চলের মধ্যকার অর্থনৈতিক বৈষম্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিলেন, তাঁদের মধ্যে আনিসুর রহমান স্যার ছিলেন অন্যতম। সে জন্য ১৯৭১–এর ২৫ মার্চের পর তিনি সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে গিয়েছিলেন এবং নয়াদিল্লিতে অবস্থান করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নানা তৎপরতায় জড়িত হয়েছিলেন।
আনিসুর রহমান স্যার পাঠদানকে শ্রেণিকক্ষের বাইরেও নিয়ে আসেন। প্রতি বুধবার ১০ জন ছাত্রছাত্রীর একটি গ্রুপকে নিয়ে তিনি ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে মধ্যাহ্নভোজও শুরু করেন। তিনি ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিতেন এবং ১০ জনকে নিয়ে একই টেবিলে বসে খাবার গ্রহণ করতেন। ওই মধ্যাহ্নভোজ ছিল আমাদের জন্য খুবই আকর্ষণীয়। কারণ, এ সময় পাঠ্যবইয়ের বাইরের নানা রূপ প্রশ্ন করার সুযোগ ছিল। সে সুযোগ আমরা পুরো মাত্রায় সদ্ব্যবহার করেছিলাম। স্যারের সঙ্গে এই স্বল্প সময়ের আড্ডা পাঠ্যবই–বহির্ভূত অনেক বিষয়ে আমাদের অস্পষ্টতা কাটাতে এবং আমাদের বোধ ও চেতনা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।
আমাদের সিনিয়র একটি ব্যাচের ছাত্রদের নিয়ে তিনি তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক শিক্ষার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। এই ব্যাচের (ড. হোসেন জিল্লুর রহমানদের ব্যাচ) কয়েকজন ছাত্রকে সাভারের একটি গ্রামে কৃষকের কুঁড়েঘরে অবস্থান করে কৃষিকাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের ব্যবস্থা করেছিলেন। ছাত্ররা কৃষকের জমিতে নিজ হাতে কাজ করতেন। বিনিময়ে কৃষকের বাড়িতে সাধারণ মানের খাবার খেতেন। এই পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমাদের ব্যাচ দিয়ে পূর্ণমাত্রায় এরূপ একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগও তিনি নিয়েছিলেন বলে জেনেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীকালে নানা রূপ পরিবর্তন ও তাঁর দেশত্যাগের কারণে ওই প্রকল্প আর আলোর মুখ দেখেনি।
যে কজন বাঙালি অর্থনীতিবিদ পাকিস্তান রাষ্ট্রের দুই অঞ্চলের মধ্যকার অর্থনৈতিক বৈষম্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিলেন, তাঁদের মধ্যে আনিসুর রহমান স্যার ছিলেন অন্যতম। সে জন্য ১৯৭১–এর ২৫ মার্চের পর তিনি সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে গিয়েছিলেন এবং নয়াদিল্লিতে অবস্থান করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নানা তৎপরতায় জড়িত হয়েছিলেন।
এ নিয়ে তাঁর নিজের লেখা বই ‘থ্রু মোমেন্টস ইন হিস্ট্রি: মেমরিজ অব টু ডেকেডস অব ইন্টেলেকচুয়াল অ্যান্ড সোশ্যাল লাইফ’ (১৯৭০–১৯৯০) বইতে বিবরণ রয়েছে। ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অশোক মিত্রের ‘আপিলা-চাপিলা’ বইয়েও তাঁর নয়াদিল্লি গমন ও অবস্থান সম্পর্কে নানা রূপ উল্লেখ ও বর্ণনা আমরা দেখতে পাই।
যুদ্ধ শেষে তিনি দেশে ফিরেছিলেন এবং সরকারের পরিকল্পনা কমিশনে যোগদান করেছিলেন। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-৭৮) প্রণয়নে তিনি অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৭৩–এর অক্টোবর মাসে তিনি পরিকল্পনা কমিশনের চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরত আসেন এবং ছাত্রছাত্রীদের পাঠদানে নিযুক্ত হন। ১৯৭৪–এর সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৭৫–এর আগস্ট মাসের কয়েক দিন ওনাকে শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিমাত্র। এই স্বল্প সময়ে উনি আমাদের মনে একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে দাগ কাটতে পেরেছিলেন।
১৯৭৫–এর আগস্টের পর তিনি বিদেশে চলে যান দীর্ঘ সময়ের জন্য। এরপর তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দীর্ঘদিন কোনোরূপ সাক্ষাৎ বা যোগাযোগ হয়নি। সেই রূপ কোনো সুযোগও ছিল না। কারণ, সারা জীবনভর তিনি বিচরণ করেছেন জ্ঞানচর্চার গজদন্ত মিনারে আর আমার জীবন কেটেছে আমলাতন্ত্রের আটপৌরে কর্মকাণ্ডে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত বন্ধুদের কাছে স্যারের সম্পর্কে খোঁজখবর পেয়েছি সর্বদা।
১৯৯০–এর দশকের কোনো এক সন্ধ্যায় স্যারের সঙ্গে হঠাৎ দেখা হয়ে গেল ধানমন্ডিতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে—বাংলাদেশে ইনস্যুরেন্স ব্যবসার অগ্রদূত গোলাম মওলা সাহেবের ছোট ছেলে মাসুদের বিয়েতে। পরিচয় দেওয়ায় স্যার মনে হয় খুশি হলেন, একই টেবিলে বসে ডিনার সারলাম। কথায় কথায় স্যার প্রশ্ন করলেন, মাস্তানি আর চাঁদাবাজি আমাদের উৎপাদনপ্রক্রিয়ায় কী প্রভাব বিস্তার করছে, এর ওপর কি সরকারের কোনো গবেষণা আছে? মন্তব্য করলেন—এ নিয়ে অবিলম্বে একটা গবেষণা হতে পারে।
স্যারের সঙ্গে আমার সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয় ২০১৯–এর শেষ কিংবা ২০২০–এর শুরুতে, স্যারের সেগুনবাগিচার বাসায়। আমাদের ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদের সংগঠন ‘সতীর্থ অর্থনীতি ৭৪’–এর পক্ষ থেকে একটি স্মৃতিচারণামূলক গ্রন্থ ‘মনের গহীনে স্মৃতির অতলে’ প্রকাশিত হয় সেপ্টেম্বর ২০১৯। গ্রন্থটির প্রকাশক ‘পাঠক সমাবেশ’। গ্রন্থটিতে অনেকের লেখাতেই আনিসুর রহমান স্যারের কথা উল্লেখিত হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি হিসেবে একদিন অধ্যাপক এস এম আকাশকে সঙ্গে নিয়ে স্যারের বাসায় গেলাম বইয়ের একটি কপি স্যারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য।
স্যার বইটি গ্রহণ করলেন, বললেন পুরো বই পড়া সম্ভব নয়, কিছু অংশ পড়ে দেখবেন। নিজের লেখা বইয়ের একটি কপিও তিনি আমাকে দিলেন, নিজ হাতে লিখলেন—‘টু মাহবুব আহমেদ উইথ বেস্ট উইশেস—আনিসুর রহমান।’
শারীরিক দিক থেকে কিছুটা দুর্বল মনে হলো স্যারকে সেদিন। তবু জীবনদর্শন নিয়ে কিছু কথা বললেন, অধ্যাপক আকাশের উদ্দেশে বললেন, ‘নজরুলের লেখা একটি গান আজকাল খুব শুনি, ভালো লাগে—“খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে...খেলিছ”।’ তিনি আরও বললেন, ‘সৃষ্টিকর্তার সামনে উপস্থিত হয়ে তাকে আমি একটা প্রশ্ন করতে চাই, জানি না তিনি প্রশ্নটি নেবেন কি না।’
জীবনের শেষের দিকের বছরগুলোতে তিনি বোধ হয় লোকচক্ষুর আড়ালে নির্লিপ্ত জীবনযাপন পছন্দ করতেন। শুধু অর্থনীতি নয়, তাঁর প্রিয় বিষয় রবীন্দ্রসংগীত চর্চায়ও তাঁকে খুব একটা দেখা যায়নি। বছর দুয়েক পূর্বে একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে পদক দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিটিতে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এ কমিটির একজন সদস্য হিসেবে অর্থনীতির অধ্যাপক ড. নাজমা বেগমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল স্যারের সম্মতি গ্রহণের জন্য। বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি কোনোরূপ পুরস্কার বা সম্মাননা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান, নিভৃত জীবন থেকে তিনি আর বের হতে চাননি।
৭ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে শহীদ মিনারের পাদদেশে তাঁর প্রতি অন্য অনেকের সঙ্গে ‘সতীর্থ অর্থনীতি ৭৪’–এর পক্ষ থেকেও পুষ্পার্ঘ্য সহযোগে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আমার মনে পড়তে থাকে তাঁর সঙ্গে সর্বশেষ সাক্ষাতের সময় তাঁর সেই কথা, ‘সৃষ্টিকর্তার সামনে হাজির হয়ে তাকে একটা প্রশ্ন করতে চাই, জানি না তিনি আমার প্রশ্নটি নেবেন কি না’। স্যার পৃথিবী ছেড়ে তাঁর সৃষ্টিকর্তার কাছে ফিরে গেছেন, জানি না তিনি তাঁর বহু কাঙ্ক্ষিত প্রশ্নটি সৃষ্টিকর্তাকে করতে পেরেছেন কি না কিংবা তাঁর প্রশ্নের কোনো জবাব পেয়েছেন কি না। বিষয়টি অজানাই থেকে যাবে চিরকাল!
ডেথ ইজ আ ডায়ালগ বিটউইন
দ্য স্পিরিট অ্যান্ড দ্য ডাস্ট
‘ডিজলভ’ সেজ ডেথ-দ্য স্পিরিট ‘স্যার
আই হ্যাভ অ্যানাদার ট্রাস্ট’-
ডেথ ডাউটস ইট-আর্গিউজ ফ্রম দ্য গ্রাউন্ড-
দ্য স্পিরিট টার্নস অ্যাওয়ে
জাস্ট লেয়িং অফ ফর এভিডেন্স
অ্যান ওভারকোট অফ ক্লে
—এমিলি ডিকিনসন
মাহবুব আহমেদ সাবেক সিনিয়র অর্থসচিব, বাংলাদেশ সরকার