সাবান দিয়ে হাত ধোয়া সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী উপায়গুলোর একটি। নিয়মিত ও সঠিকভাবে হাত ধুলে অনেক সংক্রমণের বিস্তার কমে। সংক্রমণ কমলে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রয়োজনও কিছু ক্ষেত্রে কমতে পারে। আর অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার কমানো গেলে প্রতিরোধী জীবাণু নির্বাচিত হওয়া ও বিস্তারের চাপও কমে। কিন্তু সুপারবাগ বা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের সমস্যা কি শুধু হাত ধোয়ার মাধ্যমে মোকাবিলা করা সম্ভব?
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ডার্বিতে আমার সাম্প্রতিক গবেষণার বিষয় ছিল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় নীতি, নেতৃত্ব ও বাস্তবায়নব্যবস্থা। বাংলাদেশকে মূল ক্ষেত্র হিসেবে নিয়ে সুইডেন, ডেনমার্ক, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের অভিজ্ঞতার সঙ্গে তুলনা করেছি। সরকারি নীতি, প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন নথি বিশ্লেষণের পাশাপাশি বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণ, ওষুধ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্য ও সংশ্লিষ্ট খাতের পেশাজীবীদের সঙ্গে কথা বলেছি।
এ গবেষণা করতে গিয়ে আমার কাছে একটি বিষয় ক্রমেই পরিষ্কার হয়েছে, সুপারবাগ শুধু জীবাণুর সমস্যা নয়, শুধু হাসপাতালের সমস্যাও নয়। এটি একই সঙ্গে আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের অভ্যাস, চিকিৎসাব্যবস্থা, ফার্মেসি, ওষুধের বাজার, প্রাণিস্বাস্থ্য, খাদ্য উৎপাদন, পরিবেশ এবং এসব খাত নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতার সমস্যা।
প্রথমেই একটি প্রচলিত ভুল ধারণা পরিষ্কার করা প্রয়োজন। অ্যান্টিবায়োটিক খেতে খেতে মানুষের শরীর অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী হয়ে যায় না। প্রতিরোধী হয়ে ওঠে ব্যাকটেরিয়া। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে সংবেদনশীল ব্যাকটেরিয়া মারা গেলেও যেসব ব্যাকটেরিয়ার প্রতিরোধক্ষমতা রয়েছে, তারা টিকে থাকতে এবং বংশবিস্তার করতে পারে। এভাবে অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ও ভুল ব্যবহার প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তারের সুযোগ বাড়ায়।
সাবান সুপারবাগের প্রতিষেধক নয়; বরং সুপারবাগ ঠেকানোর অনেকগুলো কার্যকর উপায়ের মধ্যে হাত ধোয়া একটি সহজ, সস্তা ও গুরুত্বপূর্ণ উপায়। টেকসই সমাধানের জন্য প্রয়োজন ওয়ান হেলথ পদ্ধতিতে মানুষের স্বাস্থ্য, প্রাণিস্বাস্থ্য, খাদ্যব্যবস্থা ও পরিবেশকে একই পরিকল্পনার আওতায় এনে কাজ করা। এর সঙ্গে থাকতে হবে অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল ব্যবহার, কার্যকর ওষুধ নিয়ন্ত্রণ, হাসপাতালের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও জবাবদিহি।
বাংলাদেশের খুব পরিচিত একটি উদাহরণ ধরা যাক। জ্বর, সর্দি বা কাশি হলো। রোগটি ভাইরাসজনিত কি না, জানা হলো না। চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে পাশের ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাওয়া শুরু করলাম। ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো কাজ নেই। অথচ অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার আমাদের শরীরে থাকা ব্যাকটেরিয়ার ওপর এমন একটি চাপ তৈরি করতে পারে, যেখানে প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া টিকে থাকার বাড়তি সুযোগ পায়।
এ সমস্যার সমাধান শুধু সাবান দিয়ে হাত ধোয়া নয়। প্রয়োজন সঠিক রোগনির্ণয়, চিকিৎসকের দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপত্র, মানুষের আচরণে পরিবর্তন এবং ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা।
বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের সাম্প্রতিক তথ্যও উদ্বেগের কারণ দেখায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে প্রথম পছন্দ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী অ্যান্টিবায়োটিক মোট ব্যবহারের মাত্র ২৯ শতাংশ ছিল, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার লক্ষ্য অন্তত ৬০ শতাংশ। বিপরীতে তুলনামূলকভাবে সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করা প্রয়োজন—এমন বিস্তৃত কার্যক্ষমতার অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার অনেক বেশি ছিল। তৃতীয় প্রজন্মের সেফালোস্পোরিন–জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক একাই দেশের মোট ব্যবহারের ৩৩ দশমিক ৩ শতাংশ ছিল।
এর অর্থ হলো, সুপারবাগ মোকাবিলার আলোচনায় আমরা হাত ধোয়ার পাশাপাশি মানুষ কেন অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছে, কে তা দিচ্ছে এবং প্রয়োজন না থাকলেও কেন শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এত সহজে ব্যবহৃত হচ্ছে—এসব প্রশ্ন এড়িয়ে যেতে পারি না।
আরও বড় একটি ক্ষেত্র আমাদের খাবার।
পোলট্রি মুরগি, গবাদিপশু ও মাছ উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে বিষয়টি এমন নয় যে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়েছে—এমন একটি মুরগি খেলেই মানুষের শরীর অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী হয়ে যাবে। সমস্যাটি আরও জটিল।
প্রাণী ও মৎস্য খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের অনুপযুক্ত বা অতিরিক্ত ব্যবহার প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া নির্বাচনের সুযোগ তৈরি করতে পারে। এসব ব্যাকটেরিয়া বা তাদের প্রতিরোধক্ষমতার জিন প্রাণীর সংস্পর্শ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মাংস, পানি, বর্জ্য, মাটি ও পরিবেশের বিভিন্ন পথ ধরে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে। সবজি বা অন্য খাবারও দূষিত পানি, সার বা পরিবেশের মাধ্যমে এই চক্রের অংশ হতে পারে।
ঠিক এ জায়গাতেই ওয়ান হেলথ বা সমন্বিত স্বাস্থ্যপদ্ধতির প্রয়োজন। এ পদ্ধতির মূল কথা হলো, মানুষের স্বাস্থ্যকে প্রাণিস্বাস্থ্য ও পরিবেশের স্বাস্থ্য থেকে আলাদা করে দেখা যায় না। মানুষের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার যেমন প্রতিরোধী জীবাণু নির্বাচনে ভূমিকা রাখতে পারে, তেমনি পোলট্রি বা মৎস্য খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার এবং হাসপাতাল, ওষুধশিল্প বা খামারের বর্জ্যের মাধ্যমে পরিবেশে অ্যান্টিবায়োটিক ও প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তারও একই সমস্যার অংশ।
এটি শুধু একটি তাত্ত্বিক ধারণা নয়। বাংলাদেশের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলার জাতীয় কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা ২০২৩-২০২৮-এও ওয়ান হেলথ পদ্ধতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মানুষ, প্রাণী, খাদ্য, কৃষি ও পরিবেশসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম ছাড়া এ সমস্যা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। নীতিনির্ধারণের জন্য তাই মূল প্রশ্ন হওয়া উচিত, এ খাতগুলো আলাদাভাবে কী করছে, শুধু তা নয়; বরং তাদের কাজ, তথ্য, নজরদারি ও জবাবদিহি কতটা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত।
বাংলাদেশ নিয়ে ২০২৬ সালে প্রকাশিত একটি বিস্তৃত পর্যালোচনায় ৪০টি নীতিগত নথি ও ৫১টি গবেষণা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, মানুষের স্বাস্থ্য ও প্রাণিস্বাস্থ্য নিয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি কাজ হলেও পরিবেশ খাত পিছিয়ে আছে। অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল ব্যবহার পর্যবেক্ষণ, যথেষ্ট প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী নিশ্চিত করা এবং অনানুষ্ঠানিক খাদ্য উৎপাদনব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি রয়েছে।
আমার নিজের গবেষণাতেও নীতি ও বাস্তবতার এ ব্যবধান বারবার সামনে এসেছে। কাগজে দায়িত্ব নির্ধারণ, কমিটি গঠন বা পরিকল্পনা তৈরি করা সম্ভব। কিন্তু মাঠপর্যায়ে কে কাজটি করবে, প্রয়োজনীয় জনবল ও অর্থ কোথা থেকে আসবে, কে নজরদারি করবে এবং নিয়ম না মানলে কী হবে—এসব প্রশ্নের কার্যকর উত্তর না থাকলে ভালো নীতিও প্রত্যাশিত ফল দিতে পারে না।
ফার্মেসির কথাই ধরা যাক। ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করার নিয়ম থাকলেই সমস্যার সমাধান হয় না। দেখতে হবে নিয়মটি কতটা মানা হচ্ছে, দোকানে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি আছেন কি না, নিয়মিত নজরদারি হচ্ছে কি না এবং একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার বাস্তব সুযোগ কতটা রয়েছে।
হাসপাতালেও একই কথা প্রযোজ্য। সেখানে হাত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীদের সঠিকভাবে হাত পরিষ্কার করা প্রতিরোধী জীবাণু একজন রোগী থেকে অন্য রোগীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়া কমাতে পারে। কিন্তু এর পাশাপাশি হাসপাতালের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, জীবাণু শনাক্ত করার পরীক্ষাগার, পরীক্ষার ফল অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক নির্বাচন এবং কোন অ্যান্টিবায়োটিক কতটা ব্যবহৃত হচ্ছে, তার নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।
তাহলে সাবানের ভূমিকা কোথায়?
সাবানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাত ধোয়া সংক্রমণের একটি বড় পথ বন্ধ করতে পারে। সংক্রমণ কমলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন কমতে পারে এবং একজনের কাছ থেকে অন্যজনের কাছে প্রতিরোধী জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকিও কমতে পারে। নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাত ধোয়ার সুযোগে বিনিয়োগ তাই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
কিন্তু এটি সমাধানের একটি অংশ মাত্র।
একজন মানুষ নিয়মিত হাত ধুয়েও অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে পারেন। তিনি এমন মাংস বা মাছের খাদ্যব্যবস্থার অংশ হতে পারেন, যেখানে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার রয়েছে। তিনি এমন পরিবেশে বসবাস করতে পারেন, যেখানে হাসপাতাল, খামার বা ওষুধ উৎপাদনের বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে না। আবার প্রয়োজনের সময় এমন হাসপাতালেও যেতে পারেন, যেখানে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বা জীবাণু শনাক্ত করার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই।
সুতরাং সুপারবাগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রশ্নটি শুধু ‘আমরা ঠিকমতো হাত ধুচ্ছি কি না’, এখানে থেমে থাকতে পারে না।
আমাদের একই সঙ্গে প্রশ্ন করতে হবে: জ্বর হলেই কেন অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছি? ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কেন সহজে পাওয়া যাচ্ছে? ফার্মেসিতে ওষুধ দেওয়ার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ আছে কি? চিকিৎসকেরা প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক দিচ্ছেন কি? পোলট্রি, গবাদিপশু ও মৎস্য খাতে কত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হচ্ছে? হাসপাতাল, খামার ও ওষুধশিল্পের বর্জ্য কোথায় যাচ্ছে? প্রতিরোধী জীবাণুর তথ্য নিয়মিত সংগৃহীত হচ্ছে কি? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, এসব নিয়ন্ত্রণের জন্য যে নীতি ও আইন রয়েছে, সেগুলো বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে কি?
বাংলাদেশের সামনে তাই কাজটি একটি সাবানের বারের চেয়ে অনেক বড়।
সাবান সুপারবাগের প্রতিষেধক নয়; বরং সুপারবাগ ঠেকানোর অনেকগুলো কার্যকর উপায়ের মধ্যে হাত ধোয়া একটি সহজ, সস্তা ও গুরুত্বপূর্ণ উপায়। টেকসই সমাধানের জন্য প্রয়োজন ওয়ান হেলথ পদ্ধতিতে মানুষের স্বাস্থ্য, প্রাণিস্বাস্থ্য, খাদ্যব্যবস্থা ও পরিবেশকে একই পরিকল্পনার আওতায় এনে কাজ করা। এর সঙ্গে থাকতে হবে অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল ব্যবহার, কার্যকর ওষুধ নিয়ন্ত্রণ, হাসপাতালের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও জবাবদিহি।
কারণ, প্রতিরোধী জীবাণু মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের প্রশাসনিক সীমানা মেনে চলে না। আমাদের প্রতিরোধব্যবস্থাও তাই একটিমাত্র সমাধানের ওপর নির্ভর করতে পারে না।
মো. মামুন-উর-রশিদ যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ডার্বিতে লিডারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে এমরেস গবেষক; তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের নীতি, শাসনব্যবস্থা ও বাস্তবায়ন
*মতামত লেখকের নিজস্ব