দইয়ের বাহারি হাঁড়ি

করতোয়া নদীর তীরে আড়িয়া গ্রাম। বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় করতোয়া ও মহাসড়কঘেঁষা গ্রামটিতে পাল সম্প্রদায়ের শতাধিক মানুষের বসবাস। মাটি দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করাই তাঁদের পেশা।

বংশানুক্রমিকভাবে এই পেশা ধরে রেখেছেন তাঁরা। বছরের এই সময়ে তাঁরা বেশি তৈরি করেন বাহারি নকশার দইয়ের হাঁড়ি। সেই হাঁড়ি তৈরিতে ব্যস্ত পাল সম্প্রদায়ের মানুষদের নিয়ে এই ছবির গল্প।

১ / ১০
বছরজুড়েই বাড়ির উঠানে বসে নকশি বাটি তৈরি করেন রেখা রানী পাল
২ / ১০
বাড়ির উঠানে বসে মাটির হাঁড়ি তৈরি করছেন সুচিত্রা রানী পাল সেগুলো রোদে শুকিয়ে ভাটায় পুড়িয়ে বিক্রি করবেন তিনি
৩ / ১০
নিজের হাতে গড়া নকশা করা বাটিতে রং দিচ্ছেন এক নারী
৪ / ১০
নিজের হাতে তৈরি করা দইয়ের নকশি বাটি, সরা ও কাপ রোদে শুকাতে দিচ্ছেন এক নারী। শুকিয়ে যাওয়া দইয়ের বাটি পরে ভাটায় পুড়িয়ে বিক্রি করবেন তিনি
৫ / ১০
ভাটায় পোড়ানো দইয়ের হাঁড়ি বের করে বাঁকে বইছেন অনীক মিয়া। এই কাজ করে তিনি মজুরি পাবেন ৫০০ টাকা
৬ / ১০
দইয়ের বাহারি বাটি ও সরা পোড়ানোর জন্য ভাটায় সাজাচ্ছেন পাল সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি
৭ / ১০
বিক্রির জন্য দইয়ের বাটি বাঁকে করে নিয়ে যাচ্ছেন অনীক মিয়া
৮ / ১০
ভাটায় পোড়ানো থরে থরে সাজানো দইয়ের নকশি বাটি। প্রতিটি বাটি পাইকারিতে সাত থেকে আট টাকায় বিক্রি হয়
৯ / ১০
ভাটা থেকে বের করা দইয়ের বাটি স্তূপ করা রাখা হয়েছে। সেগুলো একটু পরেই ট্রাকে তুলে দই কারখানায় নেওয়া হবে
১০ / ১০
পালপাড়ায় তৈরি করা মাটির হাঁড়ি বিক্রি হয়ে গেছে। সেগুলো ভ্যানে ভরে নিয়ে যাচ্ছেন তোজাম শেখ