সঙ্গীহীন জীবনে চিড়িয়াখানার প্রাণীরা

প্রাণীদেরও প্রয়োজন হয় সঙ্গের। কিন্তু রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায় দশটি প্রাণীর দিন কাটছে সঙ্গীহীন অবস্থায়। এদের মধ্যে একটি আফ্রিকান গন্ডার ২০১৩ সাল থেকে একা। চারপাশে মানুষ আর পরিচিত পরিবেশ থাকলেও নেই নিজ প্রজাতির সঙ্গী। একা বসে থাকা, নির্দিষ্ট জায়গায় ঘুরে বেড়ানো আর নীরবে সময় কাটানো, এভাবেই কাটছে তাদের দিন। চিড়িয়াখানার এই প্রাণীগুলোর নিঃসঙ্গ জীবন মনে করিয়ে দেয়, বেঁচে থাকার জন্য খাবার ও আশ্রয়ের পাশাপাশি সঙ্গও গুরুত্বপূর্ণ।

১ / ১০
নিঃসঙ্গ একা মাটিতে শুয়ে আছে ডোরাকাটা হায়না। জাতীয় চিড়িয়াখানা, মিরপুর
২ / ১০
খাঁচার এক পাশে বসে আছে হামাদ্রিয়াস বেবুনটি। ২০২২ সাল থেকে সঙ্গীহীন প্রাণীটির দিন কাটছে এভাবেই
৩ / ১০
একা ঘুরে বেড়াচ্ছে আফ্রিকান গন্ডারটি। একসময় তারও ছিল সঙ্গী, এখন দীর্ঘ ১৩ বছর কাটছে নিঃসঙ্গতায়
৪ / ১০
খাঁচার জালের আড়ালে ঝাপসা দেখা যায় আফ্রিকান সাদা সিংহ। স্বজাতির সঙ্গ ছাড়াই দিন কাটছে তার
৫ / ১০
জলাধারের পাশে এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে ইন্ডিয়ান সারস ক্রেনটি। সঙ্গীহীন পাখিটির নিঃসঙ্গ জীবনের সাক্ষী চিড়িয়াখানার আবাস
৬ / ১০
গাছের আড়ালে একা শুয়ে আছে চিত্রা হায়েনা। চারপাশে সবুজের সমারোহ, কিন্তু নেই স্বজাতির সঙ্গ।
৭ / ১০
দেয়ালের পাশে গুটিসুটি হয়ে বসে আছে ক্যাঙারুটি। ২০২৩ সাল থেকে সঙ্গীহীন প্রাণীটির দিন কাটছে একাকী।
৮ / ১০
খাঁচার জাল আঁকড়ে বসে আছে উল্লুকটি। প্রকৃতিতে দলবদ্ধভাবে বসবাস করা এই প্রাণীটির চিড়িয়াখানার জীবন কাটছে সঙ্গী ছাড়াই
৯ / ১০
খাঁচার ভেতর খাবার খুঁজছে কেশোয়ারি পাখিটি। প্রায় ১৭ বছর ধরে সঙ্গীহীন এই পাখির দীর্ঘ জীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে একাকিত্বে
১০ / ১০
খাঁচার ভেতর মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে কুলু বানরটি। ২০২৫ সালের মার্চ থেকে সঙ্গীহীন প্রাণীটির একাকী জীবন কাটছে।