ধ্বংসের চিহ্নে ‘আলো’র উদ্ভাস

সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলায় গত ১৮ ডিসেম্বর আক্রান্ত হয় প্রথম আলো, দগ্ধ হয় ভবন। এই ধ্বংসই শেষ কথা নয়, বরং তা থেকে পুনর্জাগরণের গল্প শোনাচ্ছে এখন ‘আলো’। এই আলো ব্যতিক্রমী এক শিল্প–আয়োজন, যা উৎসারিত বিশিষ্ট শিল্পী মাহ্‌বুবুর রহমানের শিল্পভাবনা থেকে, যার উপাদান ধ্বংসস্তূপে পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, ভাঙা আসবাবপত্র ও বইপত্র। সবার জন্য উন্মুক্ত এ প্রদর্শনী দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন বিশিষ্টজনেরা। রাজনীতিবিদ, শিল্পী-সাহিত্যিক, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও দেখেছেন এই প্রদর্শনী; ধ্বংসের ভয়াবহতা দেখে শিউরে উঠছেন তাঁরা, সেই সঙ্গে দেখছেন প্রথম আলোর ঘুরে দাঁড়ানোার দৃঢ়তা। আজ বুধবারও তার ব্যতিক্রম ছিল না। ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া শিল্পপ্রদর্শনীটি চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

১ / ১২
শিল্পী আফসানা মিমি এসেছিলেন ‘আলো’ প্রদর্শনী দেখতে, সেখানে বিইউবিটির শিক্ষার্থীদের ছবি তোলার আবদার মেটাতে হয় তাঁকে।
২ / ১২
অভিনেত্রী জয়া আহসান বিমূঢ় হয়ে দেখেন প্রথম আলো ভবনের ধ্বংসের ভয়াবহতা দেখে।
৩ / ১২
স্ত্রী নাজলী লায়লা মনসুরকে নিয়ে ‘আলো’ প্রদর্শনী দেখতে এসেছিলেন লেখক আবুল মনসুর।
৪ / ১২
পুড়ে যাওয়া ভবনে প্রদর্শনী দেখতে আসেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী।
৫ / ১২
প্রথম আলোর অগ্নিদগ্ধ ভবনে শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’কে ক্যামেরাবন্দী করেন অনেকে।
৬ / ১২
প্রথম আলোর দগ্ধ ভবনে শিল্পপ্রদর্শনীতে শীর্ষস্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু।
৭ / ১২
শিল্প–আয়োজন ‘আলো’ ঘুরে ঘুরে দেখেন অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া।
৮ / ১২
বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক দীপায়ন খিসার নেতৃত্বে একদল এসেছিলেন এই প্রদর্শনী দেখতে।
৯ / ১২
ধ্বংসচিহ্নের সামনে নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত।
১০ / ১২
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক ঘুরে দেখেন প্রদর্শনী।
১১ / ১২
প্রদর্শনী ঘুরে ঘুরে দেখার সময় অভিনেতা–চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেন স্মৃতি ধরে রাখেন মোবাইল ক্যামেরায়।
১২ / ১২
নৃত্যশিল্পী ও অভিনয়শিল্পী হোসাইন ইসলাম প্রদর্শনী দেখার একপর্যায়ে নিজের প্রতিবাদ জানান নাচের মুদ্রায়।