চাকমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘সান্যে পিধে’

পাহাড়ে বোরো মৌসুমের ধান ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে পিঠা বানানোর আয়োজন। হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে ঘরে তোলা সোনালি ধানের নতুন চালে পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায় পাহাড়ের অনেক ঘরে। পরিবারের নারীরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী পিঠা তৈরিতে। চাকমারা বিন্নি চালের পাশাপাশি সাধারণ নতুন চাল দিয়ে তৈরি করেন সুস্বাদু ও ঐতিহ্যবাহী ‘সান্যে পিধে’ (সান্যে পিঠা)। এই পিঠা তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য। ঢেঁকিতে চাল গুঁড়া করে, পরিমাণমতো কুসুম গরম পানি মিশিয়ে সঠিক মিশ্রণ তৈরি করে তারপর দল বেঁধে সুনিপুণ হাতে তৈরি করা হয় এই পিঠা। সেই পিঠা বানানোর উপকরণ, প্রক্রিয়া ইত্যাদি নিয়ে এই ছবির গল্প।

১ / ৮
বাড়ির আঙিনায় ঢেঁকিতে নতুন চাল গুঁড়া করার কাজে ব্যস্ত নারীরা
২ / ৮
বাঁশের ঝুড়ি থেকে ঢেঁকিতে ভাঙানোর জন্য ভিজিয়ে রাখা নরম চাল ঢালছেন এক নারী
৩ / ৮
বাঁশের কুলা ব্যবহার করে চালের গুঁড়া ছেঁকে নেওয়া হচ্ছে। পাশেই রাখা আছে পিঠা তৈরির অন্যান্য আনুষঙ্গিক উপকরণ
৪ / ৮
ঘরের ভেতর পাটিতে গোল হয়ে বসে গল্পগুজব ও আনন্দঘন পরিবেশে পিঠার মণ্ড তৈরি করছেন পরিবারের নারীরা
৫ / ৮
বড় একটি পাত্রে রাখা মণ্ড থেকে পরিমাণমতো অংশ নিয়ে নিপুণ হাতে পিঠার আকার দিচ্ছেন তাঁরা
৬ / ৮
পিঠার ভেতরে পুর হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে সুস্বাদু গুড়
৭ / ৮
চালের গুঁড়ার তৈরি গোল্লার ভেতর পরিমাণমতো গুড় দিয়ে পুরভর্তি করা হচ্ছে। এরপর এটি যত্নসহকারে মুড়ে দেওয়া হবে
৮ / ৮
কলাপাতার ওপর সাজিয়ে রাখা হয়েছে সম্পূর্ণ প্রস্তুত ঐতিহ্যবাহী ‘সান্যে পিধে’। পরিবেশনের জন্য তৈরি