রোদ-বৃষ্টির নিত্যসঙ্গী ছাতা

প্রকৃতিতে এখন গ্রীষ্মের রাজত্ব। একদিকে কাঠফাটা রোদের তীব্র খরতাপ, অন্যদিকে হঠাৎ ধেয়ে আসা কালবৈশাখীর মাতম—সব মিলিয়ে গ্রীষ্ম আর আসন্ন বর্ষায় ছাতা যেন আমাদের এক অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী। দুই যুগ আগেও রঙিন ছাতার এতটা চল ছিল না। তখন সবার হাতে হাতে ঘুরত কাঠের বাঁকানো হাতলওয়ালা সেই সাবেকি কালো ছাতা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের রুচি আর প্রয়োজনেও এসেছে বদল। এখন চারদিকে কেবল নজর কাড়ে বাহারি রং আর নানা নকশার ছাতা। বাজারে যাওয়ার পথে হঠাৎ নামা ঝুম বৃষ্টি হোক কিংবা ভরদুপুরে তপ্ত রোদে নৌকায় চড়ে বাড়ি ফেরা—সবখানেই পরম বন্ধু হয়ে আমাদের ছায়া দেয় এই ছাতা। রোদ-বৃষ্টির এই লুকোচুরি খেলায় তাই সব ক্ষেত্রে ছাতারই জয়গান!

১ / ৮
বিস্তীর্ণ জলরাশির বুকে ছোট্ট নৌকায় মা ও ছেলে। তপ্ত রোদের হাত থেকে বাঁচতে তাদের মাথার ওপর পরম মমতায় ছায়া দিচ্ছে একটি রঙিন ছাতা।
২ / ৮
কাঠফাটা রোদের মাঝে একটি কালো ছাতাই যেন প্রশান্তির আশ্রয়, যার নিচে চলছে দীর্ঘ যাত্রার নিবিড় আলাপন।
৩ / ৮
চারপাশের সবুজ আর সোনালু ফুলের স্নিগ্ধতার মাঝে রোদ থেকে বাঁচতে কালো ছাতা মাথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে শান্ত পথচলা।
৪ / ৮
যাত্রীবোঝাই নৌকায় রোদ থেকে বাঁচতে যাত্রীদের হাতে হাতে ছাতা। নদীর বুকে যেন ভেসে চলেছে নানা রঙের ছাতার এক ছোট্ট মেলা।
৫ / ৮
বাজারের ব্যস্ত কোলাহল। সদ্য নামা বৃষ্টির রেশ এখনো কাটেনি, ভেজা ছাতাগুলোর বর্ণিল আচ্ছাদনেই চলছে ক্রেতা-বিক্রেতার কেনাবেচা।
৬ / ৮
কাদামাখা নদীর পাড় ঘেঁষে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরা। পিঠে বইয়ের ব্যাগ আর মাথার ওপর ফুটে আছে সুন্দর একটি বেগুনি রঙের ছাতা।
৭ / ৮
লাল জামা আর হাতে উজ্জ্বল কমলা রঙের ফুলেল ছাতা নিয়ে মেঠো পথ ধরে স্কুলে যাচ্ছে এক ছোট্ট মেয়ে।
৮ / ৮
চারদিকে সবুজ ধানখেতের সমারোহ, তার মাঝ দিয়ে আলপথ ধরে স্কুলে যাচ্ছে তিন শিক্ষার্থী। তাদের হাতের রঙিন ছাতাগুলো যেন সবুজের মাঝে ফুটে থাকা তিন রঙের ফুল।