হারিয়ে যেতে বসা পোড়ামাটির পাট

গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির মৃৎশিল্পের একটি পণ্য ‘পাট’, যা স্থানীয়ভাবে মাটির রিং নামে পরিচিত। একসময় গ্রামাঞ্চলে কুয়া বাঁধানো ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ল্যাট্রিনের স্ল্যাব তৈরিতে এর ব্যবহার ছিল বেশ প্রচলিত। এখন আধুনিক নির্মাণসামগ্রীর কারণে এই শিল্প অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে। বিশেষ ছাঁচে এঁটেল মাটি দিয়ে তৈরি করে রোদে শুকানো হয় পাট। এরপর চুল্লিতে পুড়িয়ে তা বিক্রির উপযোগী করা হয়। রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ঠাকুরবাড়ি এলাকায় এখনো কয়েকজন কারিগর টিকিয়ে রেখেছেন এই ঐতিহ্য।

১ / ১০
পাট তৈরির জন্য দূরদূরান্ত থেকে আনা এঁটেল মাটির স্তূপ থেকে মাটি আলাদা করা হচ্ছে।
২ / ১০
পানি মিশিয়ে এঁটেল মাটি কাদা করা হচ্ছে।
৩ / ১০
তৈরি করা মাটির কাদা গোল করে রাখা হয়েছে।
৪ / ১০
গোল করে রাখা মাটিতে ছাঁচ বসিয়ে পাটের আকার দিচ্ছেন মৃৎশিল্পী।
৫ / ১০
তৈরি করা পাট রোদে শুকাতে দেওয়া হয়েছে।
৬ / ১০
শুকানো পাট পোড়ানো হবে এই চুল্লিতে।
৭ / ১০
পোড়ানোর আগে শুকানো পাট সারি করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে।
৮ / ১০
পোড়ানোর পর পাটগুলো স্তূপ করে রাখা হয়েছে বিক্রির জন্য।
৯ / ১০
কয়েকটি পাট বা রিং সিমেন্ট দিয়ে জোড়া লাগানো হয়েছে, অনেকে এভাবেও কিনে নেন।
১০ / ১০
রিকশাভ্যানে পাট বিক্রির জন্য বের হয়েছেন এক কারিগর।