যমুনার চরে মহিষের বাথান

বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেই মহিষ লালন–পালন করেন সত্য চন্দ্র ঘোষ। বয়স এখন প্রায় ৬৫ বছর, তবু নুয়ে পড়েননি তিনি। বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার যমুনার দুর্গম চরের অনেকে বংশপরম্পরায় মহিষ লালন–পালনে যুক্ত। সেই মহিষের দুধ থেকে তৈরি করা দই বিক্রি করে চলে তাঁদের সংসার।

১ / ১০
যমুনার চরে মহিষের পাল চরানোর জন্য নিয়ে যাচ্ছেন রাখালেরা
২ / ১০
মহিষ চরানোয় ব্যস্ত এক রাখাল
৩ / ১০
চর থেকে মহিষের পাল নিয়ে ফিরছেন নাজমুল হক
৪ / ১০
চরে মহিষ চরানোয় ব্যস্ত সত্য চন্দ্র ঘোষ
৫ / ১০
বংশপরম্পরায় মহিষ পালনকেই পেশা হিসেবে নিয়েছেন চরাঞ্চলের অনেকে
৬ / ১০
বাচ্চার জন্য ডেকে যাচ্ছে একটি মহিষ
৭ / ১০
পরিবারের বড়দের সঙ্গে ছোটরাও যোগ দেয় মহিষ চরানোয়
৮ / ১০
যমুনার চরে মহিষের বাথান
৯ / ১০
বাথানে বেঁধে রাখা মহিষের পাল
১০ / ১০
ঝড়–বৃষ্টি ও রোদ থেকে রক্ষায় ছাতা মাথায় দিয়ে জীবনসংগ্রামে মহিষ লালন–পালনকারীরা