তরমুজের পাইকারি বাজার

দক্ষিণাঞ্চলের বরগুনা, রাঙ্গাবালি, ভোলা, চরফ্যাশন, পটুয়াখালী—এসব অঞ্চলে চাষ হওয়া তরমুজ ট্রলারে করে পোর্ট রোড নদীবন্দরে খালাস এবং বিক্রির জন্য নিয়ে আসছেন চাষি আর ব্যবসায়ীরা। কীর্তনখোলা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালের একটা অংশ ভরে গেছে তরমুজের ট্রলারে। আবার কিছু ট্রলার অপেক্ষা করছে নদী থেকে খালে প্রবেশের জন্য। শ্রমিকেরা ট্রলার থেকে এসব তরমুজ খালাস করে তীরে থাকা পাইকারি ব্যবসায়ীদের শেডের নিচে রাখছেন। কেউ কেউ খালাস করে ট্রাকে তুলে দিচ্ছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে এ কার্যক্রম। একেকজন আড়তদার প্রতিদিন ২ থেকে ১২ হাজার তরমুজ কেনাবেচা করেন। আকার ও মানভেদে ১০০ তরমুজ বিক্রি হয় ২ থেকে ১০ হাজার টাকায়। এরপর সড়কপথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। আর কিছু তরমুজ খুচরা বাজারে বিক্রি করা হবে। গত শুক্রবার ও গতকাল রোববার বরিশাল নগরের বালুঘাট এলাকা থেকে তোলা ছবি।

১ / ১৩
নদীপথে ট্রলারে করে আসছে তরমুজ।
২ / ১৩
ট্রলার থেকে তরমুজ খালাসে ব্যস্ত শ্রমিকেরা।
৩ / ১৩
সারি সারি তরমুজভর্তি ট্রলার ভিড়ে আছে ঘাটে।
৪ / ১৩
নষ্ট হয়ে যাওয়া তরমুজ ফেলে দেওয়া হয়েছে। তার ওপর দিয়ে কাঠের পাটাতন বেয়ে তরমুজ ওঠানো–নামানোর কাজ করছেন শ্রমিকেরা।
৫ / ১৩
খালের এক অংশ ভরে গেছে তরমুজবাহী ট্রলারে।
৬ / ১৩
সব ট্রলার এক জায়গায় জড়ো হয়ে অপেক্ষা করছে। বসেছে তরমুজের হাট।
৭ / ১৩
ছাতা মাথায় বিক্রির জন্য অপেক্ষায় দুই চাষি।
৮ / ১৩
বিক্রির অপেক্ষায় থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছেন ট্রলারের লোকেরা।
৯ / ১৩
ট্রলার থেকে তরমুজ খালাস করছেন শ্রমিকেরা। কাজ অনুযায়ী প্রত্যেক শ্রমিক পাঁচ শ থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত পান।
১০ / ১৩
একটি ট্রাকে তরমুজ তোলা শেষ। পাশেই আরেকটি ট্রাক প্রস্তুত করা হচ্ছে তরমুজ পরিবহনের জন্য।
১১ / ১৩
টুকরিতে রাখা তরমুজগুলো শ্রমিকের মাধ্যমে যাচ্ছে ট্রাকে।
১২ / ১৩
ট্রাকে সাজিয়ে রাখা হচ্ছে তরমুজ।
১৩ / ১৩
কিনে নেওয়ার পর পাইকাররা তাঁদের নিদিষ্ট স্থানে তরমুজগুলো রাখছেন।