হাঁসের বাচ্চায় বদলে যাওয়া গ্রাম

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের মহেশরৌহালী গ্রাম একসময় ছিল বিদ্যুৎহীন প্রত্যন্ত জনপদ। সেই গ্রামেরই এক খামারি শাহ আলমের হাত ধরে শুরু হয় হাঁসের বাচ্চা ফুটানোর যাত্রা। তুষ ও হারিকেনের সনাতন পদ্ধতি পেরিয়ে এখন ইনকিউবেটরে প্রতিদিন ফুটছে লাখো বাচ্চা। শুধু মহেষরৌহালী নয়, এখন আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে হাঁসের বাচ্চা ফুটিয়ে বাচ্চা বাজারজাতকরণ। হাঁসের বাচ্চা উৎপাদন ও বিক্রিকে ঘিরে বদলে গেছে পুরো গ্রামের জীবনযাত্রা। এসব নিয়েই এই ছবির গল্প।

১ / ১২
বাচ্চা ফুটানোর জন্য মাচা ভরা হাঁসের ডিম
২ / ১২
আগে হাঁস-মুরগির ডিম ফোটাতে তুষ-হারিকেন পদ্ধতি ছিল প্রচলিত, এখন ইনকিউবেটরই মূল ভরসা। তবু কিছু হ্যাচারিতে এখনো হারিকেনের দেখা মেলে
৩ / ১২
ডিম থেকে বাচ্চা ফোটাতে তুষ ও হারিকেন–পদ্ধতি এখনো কিছু স্থানে টিকে আছে
৪ / ১২
পুরোনো পদ্ধতিতে ডিমের ওপর হারিকেন জ্বালিয়ে রাখা হয়েছে
৫ / ১২
নির্দিষ্ট সময় পর ডিমগুলো ঘুরিয়ে দেওয়া হয়
৬ / ১২
হ্যাচারিতে সাজানো হাঁসের ডিম
৭ / ১২
মাচা থেকে বেছে বেছে হাঁসের বাচ্চা বের করছে দুই কিশোর
৮ / ১২
ডিম থেকে বের হওয়া হাঁসের বাচ্চা
৯ / ১২
বিক্রির জন্য বাচ্চা গণনা চলছে
১০ / ১২
বিক্রি হওয়া বাচ্চা গুণে দেওয়া হচ্ছে
১১ / ১২
বাচ্চাগুলো বড় করা হচ্ছে
১২ / ১২
ক্রেতাদের ফরমাশ অনুসারে হাঁসের বাচ্চা পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে