বৈশাখে বসে যে শুঁটকি মেলা

ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ফোটেনি, তবু জমে উঠেছে শুঁটকির মেলা। একে একে হাজির হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কেউ সাজাচ্ছেন দোকানের পসরা, কেউ ব্যস্ত বিভিন্ন জাতের শুঁটকি গুছিয়ে তুলতে। কাজের চাপে দম নেওয়ারও ফুরসত নেই। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হাটে কোলাহলও বাড়তে থাকে। দরদাম, হাঁকডাক আর ব্যস্ততায় ভোরের নিস্তব্ধতা ভেঙে জেগে ওঠে শুঁটকির এই প্রাণচঞ্চল মেলা। প্রতিবছরই পয়লা বৈশাখে (পুরোনো পঞ্জিকা অনুসারে) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় বসে এই শুঁটকি মেলা। স্থানীয় মানুষেরা বলছেন, এই মেলা এরই মধ্যে শত বছর পেরিয়েছে। স্থানীয় জেলেরা পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এখনো এ মেলা আয়োজন করে থাকেন।

১ / ৯
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুলিকুন্ডা গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই শুঁটকি মেলা চলে আসছে বহুদিন ধরে
২ / ৯
কবে মেলার প্রথম আয়োজন, তা জানা না গেলেও শত বছর ধরে এমন আয়োজন চলছে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য
৩ / ৯
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শুঁটকি ব্যবসায়ী ছাড়াও ভোজনরসিকেরা আসেন এ মেলায়
৪ / ৯
স্থানীয়রা জানান, যখন কাগজের মুদ্রার প্রচলন হয়নি, ঠিক তখন স্থানীয় জেলেরা নিজেদের উৎপাদিত শুঁটকি বিক্রি করতেন এই মেলায়
৫ / ৯
এই মেলায় দুই দিন ধরে চলে শুঁটকি কেনাবেচা
৬ / ৯
শুধু স্থানীয় মানুষেরাই নন, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এই মেলায় আসেন শুঁটকি নিয়ে
৭ / ৯
মেলায় ইলিশ ও সামুদ্রিক নানা জাতের মাছের শুঁটকি পাওয়া যায়
৮ / ৯
ঘাড়ে চড়ে ছোট্ট শিশুর শুঁটকি মেলা দেখা
৯ / ৯
এই মেলায় কয়েক লাখ টাকার শুঁটকি কেনাবেচা হয় বলে ব্যবসায়ীরা জানান