জাহাজভাঙা শিল্প: প্রাণহানি আর স্বজনের আহাজারি

জাহাজভাঙা শিল্পে দুর্ঘটনা ঠেকাতে গ্যাস পরীক্ষা, ক্রেন-হুক পরিদর্শন, সুরক্ষা সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ ও ঝুঁকি মূল্যায়নের নিয়ম রয়েছে। এরপরও থামছে না শ্রমিকের মৃত্যু। সর্বশেষ গত শুক্রবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে প্রাণ গেছে ৯ জন শ্রমিকের। দুর্ঘটনার পর ইয়ার্ডে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। তবে স্বজনদের কান্না আর শোকের ভারে আবারও সামনে এসেছে শ্রমিকের নিরাপত্তার প্রশ্নটি।

১ / ১০
জাহাজের কাটা অংশ এভাবেই ইয়ার্ডে রাখা হয়েছে
২ / ১০
দুর্ঘটনার পর ইয়ার্ডে তদারক করছেন নিরাপত্তাকর্মীরা
৩ / ১০
ইয়ার্ডে স্তূপ করে রাখা হয়েছে স্টিলের কাটা পাত
৪ / ১০
শ্রমিকের মৃত্যুর পর ইয়ার্ডে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা
৫ / ১০
বিভিন্ন দেশ থেকে পুরোনো জাহাজ এনে সীতাকুণ্ডের ইয়ার্ডগুলোয় কাটা হয়
৬ / ১০
জাহাজ কাটার কাজের জন্য গ্যাসের সিলিন্ডার রাখা হয়েছে
৭ / ১০
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শিল্পসচিব আবদুন নাসের খান ও তদন্ত কমিটির সদস্যরা
৮ / ১০
নিহত শ্রমিক সানি দাসের জামাকাপড় হাতে নির্বাক বসে আছেন মা অশোকা দাস
৯ / ১০
নিহত ছেলে পলাশ দাসের বিয়ের অ্যালবাম হাতে মা শুভা দাসের বিলাপ
১০ / ১০
দুর্ঘটনায় স্বামী পলাশ দাসকে হারিয়ে শোকে কাতর ভূমিকা দাস