বর্ষার জলে মাছ ধরার আনন্দে

বর্ষা শুধু নদী-খাল বা মাঠঘাটে পানি আনে না, গ্রামবাংলার শিশুদের জন্য নিয়ে আসে অন্য রকম এক উৎসবও। টানা বৃষ্টিতে বাড়ির চারপাশ, খালবিল ও জমিজমা পানিতে ভরে উঠলে নানা ধরনের মাছ চলে আসে। তখন বড়দের পাশাপাশি শিশু-কিশোরেরাও নেমে পড়ে মাছ ধরার আনন্দে। কারও হাতে ছোট জাল, কারও হাতে বড়শি, কেউ আবার ছাতা বা আল দিয়ে মাছ ধরে। বিদ্যালয় থেকে ফিরেও অনেকে বই–খাতা রেখে পানিতে নেমে পড়ে।

১ / ৯
বীজতলায় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ছোট জাল ফেলে মাছ ধরছে তিন শিশু। বর্ষার শুরুতেই এমন জলাশয় হয়ে ওঠে তাদের মাছ ধরার জায়গা।
২ / ৯
ছোট্ট জালে ধরা পড়েছে কয়েকটি মাছ। তা নিয়ে উচ্ছ্বসিত দুই ভাই–বোন।
৩ / ৯
জলাশয়ের কাদা ছেঁকে মাছ খুঁজে বের করছেন এক ব্যক্তি। ধৈর্য আর কৌশল এভাবে মাছ ধরায় আনন্দই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
৪ / ৯
জলাশয়ের ধারে সঠিক জায়গায় বড়শি ফেলার চেষ্টা করছে এক কিশোর। এভাবে বড়শি ফেলে কখন টোপ গিলবে মাছ—সেই প্রতীক্ষায় কেটে যায় সময়।
৫ / ৯
জালে আটকে পড়া অল্প কিছু মাছ তৃপ্তি নিয়ে একে একে তুলে নিচ্ছে দুই কিশোর।
৬ / ৯
পানির স্রোতের মুখে জাল পেতে মাছ ধরার চেষ্টা। বর্ষার স্রোতের সঙ্গে মাছও ভেসে আসে নতুন আশায়।
৭ / ৯
এক শিশু অনেক কষ্টে ধরেছে কিছু মাছ। পরম আনন্দে সেগুলো বাছাই করছে।
৮ / ৯
ধান কাটা হয়ে গেছে আগেই। এমন জমিতে আল দিয়ে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই শিশু। গ্রামবাংলায় বর্ষায় এ এক চিরচেনা দৃশ্য, যেখানে খেলাই যেন মাছ ধরা, আর মাছ ধরাই খেলা।
৯ / ৯
স্কুল থেকে ফেরার পথে তিন শিশু নেমে পড়েছে মাছ ধরতে। ছাতাকে বানিয়েছে মাছ ধরার সরঞ্জাম। বর্ষার এসব বিকেল শৈশবের নির্মল আনন্দের ঝাঁপিতে পরিণত হয়।