বৃষ্টিতে ধান নষ্ট, হাওরে হাহাকার

বৈরী আবহাওয়ার কারণে হাওরে ধান কাটতে পারছেন না কৃষকেরা। ঢলের ঠান্ডা পানি ও প্রবল বাতাসে দীর্ঘ সময় পানিতে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। যেটুকু ধান কেটেছেন, রোদ না থাকায় তাও শুকাতে পারছেন না অনেকে। আবার বৃষ্টিতে সেই ধানও নষ্ট হচ্ছে। কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য বলছে, বৃষ্টি আর ঢলে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলের ৪২ হাজার হেক্টরের বেশি ধানখেত তলিয়ে ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

১ / ১০
রোদের অভাবে ধান শুকানো যাচ্ছে না। তাই অনেক কৃষকের ধান থেকে চারা গজাচ্ছে, তা হয়ে পড়েছে খাওয়ার অনুপযোগী। জুড়ী, মৌলভীবাজার, ৩ মে
ছবি: কল্যাণ প্রসূন
২ / ১০
কয়েক দিন ধরে পানির নিচ থাকা ধান কাটছেন কৃষকেরা। কালনীগড়, জুড়ী, মৌলভীবাজার, ৩ মে
ছবি: কল্যাণ প্রসূন
৩ / ১০
বৃষ্টির কারণে মাড়াই করা ধান শুকানো যায়নি। স্তূপ করে রাখা ধান পচে গন্ধ ছড়াচ্ছে। সেই ধান দেখাচ্ছেন নূরজাহান বেগম। দেখার হাওর, সুনামগঞ্জ, ৩ মে
ছবি: খলিল রহমান
৪ / ১০
হাওরে উঁচু অংশেই এখন কোমরসমান পানি। সেই পানিতে ধান কাটছেন কৃষকেরা। দেখার হাওর, সুনামগঞ্জ, ২ মে
ছবি: খলিল রহমান
৫ / ১০
পানিতে তলিয়ে গেছে বিলের পাশে লাগানো পাকা ধানখেত। বৃষ্টিতে ভিজে সেই ধান সংগ্রহ করছেন কৃষক। ফাওগান, শ্রীপুর, গাজীপুর। ৩ মে
ছবি: সাদিক মৃধা
৬ / ১০
কিশোরগঞ্জে শ্রমিকসংকটে ধান কাটা নিয়েও সংকটে রয়েছেন কৃষকেরা। বাড়ির শিশুরাও তাই হাত লাগাচ্ছে এই কাজে। বড়াটিয়া হাওর, করিমগঞ্জ, ২ মে
ছবি: তাফসিলুল আজিজ
৭ / ১০
পানি বাড়ছে, মিলছে না ধান কাটার শ্রমিকও। পরিবারের ছোট–বড় সবাই মিলে আধা পাকা ধান কেটে নৌকায় করে ফিরছেন বাড়িতে। বড় হাওর, করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ২ মে
ছবি: তাফসিলুল আজিজ
৮ / ১০
টাঙ্গুয়ার হাওরের পশ্চিমের চরে আবাদ করা চিনাবাদামও নষ্ট হচ্ছে বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে। তাই দ্রুত বাদাম তুলে ফেলছেন কৃষকেরা। টাঙ্গুয়ার হাওর, মধ্যনগর, সুনামগঞ্জ, ২ মে
ছবি: সালেহ আহমদ
৯ / ১০
কয়েক দিনের বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। বৃষ্টির মধ্যেই সেই ধান কাটা চলছে, তা আনা হচ্ছে কৃষকের বাড়িতে। সোনাতলা, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২ মে
ছবি: শাহাদৎ হোসেন
১০ / ১০
কয়েক দিনের বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে ধান। সেই ধান কেটে নৌকায় করে নিয়ে আসছেন কিষান-কিষানি। সোনাতলা, গোয়ালনগর, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২ মে
ছবি: শাহাদৎ হোসেন