ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প মেলা ও প্রদর্শনী

ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পকে তুলে ধরতে রাজধানীতে শুরু হয়েছে ১০ দিনব্যাপী তাঁত পণ্যের প্রদর্শনী ও মেলা। বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের উদ্যোগে এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় রাজধানীর ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে এই আয়োজন করা হয়েছে। ১৭ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রদর্শনীতে প্রায় ১৫০ বছরের পুরোনো জামদানি ও টাঙ্গাইল শাড়ি আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, রেশমের জীবনচক্র, তাঁতশিল্পের ঐতিহাসিক নথি ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং বিভিন্ন ধরনের সুতা ও তাঁতযন্ত্রও প্রদর্শন করা হচ্ছে। মেলার সঙ্গে প্রান্তিক তাঁতিদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। মেলায় মোট ১৫টি স্টল রয়েছে। এসব স্টলে জামদানি, কাতান, মণিপুরি, টাঙ্গাইল শাড়ি, সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি ও গামছা, কুমিল্লার খাদি, কুমারখালীর বেডশিট, রাজশাহীর সিল্ক এবং পার্বত্য জেলার পোশাকও পাওয়া যাচ্ছে।

১ / ১২
মেলায় জামদানি শাড়ি দেখছেন এক নারী।
২ / ১২
ভ্যানিটি ব্যাগ দেখছেন এক দর্শনার্থী।
৩ / ১২
মেলায় আগত দর্শনার্থীদের দেখার জন্য রাখা হয়েছে রেশম পোকা।
৪ / ১২
মেলায় কাপড় দেখেছেন ক্রেতারা।
৫ / ১২
তাঁতশিল্প প্রদর্শনীতে মসলিন সুতা তৈরির প্রক্রিয়া দেখানো হচ্ছে।
৬ / ১২
বেনারসি শাড়ি বোনা হচ্ছে।
৭ / ১২
কাপড়ে নকশা কীভাবে বুননে ফুটিয়ে তোলা হয়, তা দর্শনার্থীরা সরাসরি দেখতে পাচ্ছেন।
৮ / ১২
তাঁতশিল্প প্রদর্শনী ঘুরে দেখছেন এক দর্শনার্থী।
৯ / ১২
প্রদর্শনীতে একটি গাছের পাতা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে টাই–ডাই করা বিভিন্ন কাপড়।
১০ / ১২
তাঁতশিল্প প্রদর্শনী ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা।
১১ / ১২
প্রদর্শনীতে রাখা বিভিন্ন ধরনের সুতা দেখছেন দর্শনার্থীরা।
১২ / ১২
প্রদর্শনীতে রাখা হয়েছে ঢাকাই মসলিন।