কাঠের কারুকাজে ঠাকুরের সিংহাসন

কাঠের একটি টুকরা—কারিগরের হাতে পড়ে সেটিই হয়ে ওঠে শিল্পের অনন্য নিদর্শন। হাতুড়ি-বাটালির নিপুণ আঘাতে কাঠের ওপর ফুটে ওঠে ফুল, লতাপাতা ও নানা নকশা। সেই কারুকাজে তৈরি হয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঠাকুরের সিংহাসন। বগুড়ার চেলোপাড়া এলাকায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এ কাজ করে আসছেন কারিগরেরা। একেকটি সিংহাসন তৈরিতে সময় লাগে এক সপ্তাহ বা এর বেশি কিছু সময়। নকশা অনুযায়ী সিংহাসনের দাম নির্ভর করে।

১ / ৯
দোকানের সামনের বারান্দায় রাখা সিংহাসনে চলছে রঙের কাজ। একেকটি সিংহাসনের উচ্চতা দেড় ফুট থেকে মোটামুটি পাঁচ ফুট পর্যন্ত হয়
২ / ৯
সিংহাসন তৈরির কাঠের টুকরাগুলো মেশিনের সাহায্যে মসৃণ করে নেওয়া হচ্ছে
৩ / ৯
চলছে সিংহাসনের ড্রয়ার তৈরির কাজ
৪ / ৯
নকশা করা সিংহাসনের বিভিন্ন অংশ
৫ / ৯
নকশাখচিত সিংহাসন তৈরির পর চলছে রঙের কাজ
৬ / ৯
রং করার পর ফুটে ওঠে নকশা। নকশার ওপর নির্ভর করে দাম
৭ / ৯
কাঠের সিংহাসনের চূড়ায় খোদাই করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে রাধাকৃষ্ণের ছবি
৮ / ৯
কাঠখোদাইশিল্পীদের নিপুণতায় বেঁচে আছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প
৯ / ৯
একটি সিংহাসন ক্রেতার নিকট পৌঁছানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে