ষাঁড়ের রণে ভঙ্গে ভেস্তে গেল লড়াই

খুলনার তেরোখাদা উপজেলার শেখপুরা এলাকায় আয়োজন করা হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই। এ প্রতিযোগিতা দেখতে আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকে শত শত উৎসুক মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। মাঠ প্রস্তুত, দর্শকে ঠাসা চারপাশ, আর লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত শক্তিশালী সব ষাঁড়। কিন্তু লড়াই শুরুর মুহূর্তে ঘটল বিপত্তি। লড়াইয়ের মাঠে প্রতিপক্ষ ষাঁড়গুলো একে অপরকে দেখে পালিয়ে যেতে থাকে। শেষ পর্যন্ত প্রশাসন বন্ধ করে দেয় ষাঁড়ের লড়াই প্রতিযোগিতা। ফলে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হয় দর্শকদের। ভেস্তে যাওয়া সেই ‘ষাঁড়ের লড়াইয়ের’ গল্প নিয়ে ছবির গল্প:

১ / ১৪
লড়াইয়ে অংশ নিতে দূরদূরান্ত থেকে নছিমনে করে নিয়ে আসা হয় ষাঁড়।
২ / ১৪
নছিমন থেকে নামছে একটি ষাঁড়।
৩ / ১৪
অনাকাঙ্ক্ষিত আঘাত এড়াতে ষাঁড়ের সুচালো শিং ঢেকে রাখা হয়েছে প্লাস্টিক পাইপের কাটা অংশ দিয়ে।
৪ / ১৪
উৎসবকে কেন্দ্র করে দর্শকদের ভিড়ে দোকানি ব্যস্ত পান সাজাতে।
৫ / ১৪
লড়াইয়ের রোমাঞ্চ উপভোগ করতে ঝুঁকি নিয়ে গাছে চড়ে বসেছে একদল খুদে দর্শক।
৬ / ১৪
প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে শিং ঘষে আরও সুচালো ও ধারালো করা হচ্ছে।
৭ / ১৪
আরএবি-১ সাইবেরিয়া, বাহুবলী, কালানয়ন, নিউশুটার, তুফানসহ বিচিত্র সব নামের সব ষাঁড়কে হাজির করা হয়।
৮ / ১৪
বীরদর্পে লড়াইয়ের মাঠে প্রবেশ করছে একটি ষাঁড়।
৯ / ১৪
মাঠে নেমেই শিং আর খুর দিয়ে মাটি খুঁড়ে নিজের শক্তির জানান দিচ্ছে একটি ষাঁড়।
১০ / ১৪
কখন শুরু হবে ষাঁড়ের সেই ‘মারমার-কাটকাট’ লড়াই, সেই অপেক্ষায় দর্শকেরা।
১১ / ১৪
লড়াইয়ের ময়দানে মুখোমুখি করা হয়েছে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে।
১২ / ১৪
লড়াই শুরু হওয়ার আগেই প্রতিপক্ষ দেখে ভয় পেয়ে দৌড়ে দর্শকদের ওপর উঠে যায় একটি ষাঁড়।
১৩ / ১৪
সাহস হারিয়ে একইভাবে লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যায় আরও একটি ষাঁড়।
১৪ / ১৪
শেষে স্থানীয় প্রশাসন বন্ধ করে দেয়ে প্রতিযোগিতা। ষাঁড়ের লড়াই না দেখেই বাড়ির পথে ধরেন দর্শকেরা।