বর্ষায় বালুর জমজমাট ব্যবসা

সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদী থেকে প্রায় সারা বছরই বালু তোলা হয়। বর্ষায় নদ-নদীসহ হাওর-খাল-বিলে পানি থাকে বেশি। এ সময়ে তাই বালু তোলা ও নৌপথে তা পরিবহন করা বেশি সুবিধাজনক। ফলে বালু তোলা ও পরিবহনে ব্যস্ততাও বাড়ে ‘বালুশ্রমিক’দের। তাঁদের খাওয়া-নাওয়া সবই চলে নৌকায়। দিন শেষে প্রত্যেকে মজুরি পান ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। সম্প্রতি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের বর্ণি ও তেলিখাল এলাকা থেকে ছবিগুলো তোলা।

১ / ১৪
বর্ণিখালের এক পাশে নৌকা রেখে চলছে বালু কেনাবেচা।
২ / ১৪
বালুভর্তি নৌকায় বসে আছেন দুই ব্যবসায়ী।
৩ / ১৪
টুকরি করে এক নৌকা থেকে আরেক নৌকায় বালু নিচ্ছেন শ্রমিকেরা।
৪ / ১৪
সারা দিনই ব্যস্ততায় কাটে শ্রমিকদের।
৫ / ১৪
টুকরিতে তেলার পর বালু থেকে পানি চুইয়ে পড়ে। সেই পানিতে ভিজে গেছেন এক শ্রমিক।
৬ / ১৪
কাজের ফাঁকে ক্লান্ত শ্রমিকেরা খানিক বিশ্রাম নিচ্ছেন।
৭ / ১৪
কাজ শেষে নৌকাতেই গোসল সেরে নিচ্ছেন এক শ্রমিক।
৮ / ১৪
কাজের ফাঁকে পানি খাচ্ছেন এক শ্রমিক।
৯ / ১৪
নৌকাতে চলে শ্রমিকদের খাওয়াদাওয়া।
১০ / ১৪
রান্নার জন্য মাছ কাটছেন একজন। অন্যজন খাচ্ছেন।
১১ / ১৪
গন্তব্যে ছুটছে বালুভর্তি নৌকা। ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছেন দুই শ্রমিক।
১২ / ১৪
বর্ষায় এমন বালুবাহী নৌকা ও বাল্কহেডের চলাচল প্রতিদিনই চোখে পড়ে।
১৩ / ১৪
বালু পরিবহনের নৌকার জ্বালানি তেল পাওয়া যায় নদীতেই। কিছু ব্যবসায়ী নৌকা করে তেল সরবরাহ করেন।
১৪ / ১৪
কাজ শেষে বাড়ি ফিরছেন শ্রমিকেরা।