বৈশাখে ঘুরছে বগুড়ার ‘খেলনা গ্রামের’ চাকা

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার ধাপ সুলতানগঞ্জহাট থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে খোলাস গ্রাম। এই গ্রামের প্রতিটি ঘরেই তৈরি হয় শিশুদের খেলনা। সে কারণে গ্রামটি এখন ‘খেলনা গ্রাম’ নামেই পরিচিত। নানা ধরনের খেলনা তৈরি হয় এই গ্রামে, তার মধ্যে টমটমের চাহিদা বেশি। এই গ্রামের অন্তত ১০০টি ঘরে খেলনা তৈরি হয় বছরজুড়ে, তবে বৈশাখের আগে কেনাবেচা যায় বেড়ে।

১ / ৯
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার খোলাস গ্রামের হজরত আলী খেলনা বানান ছোটবেলা থেকে। এখন তাঁর বয়স ৮৬ বছর, তবে কাজ থামাননি তিনি।
২ / ৯
টরটরি বা টমটম তৈরিতে প্রয়োজন হয় বাঁশের। সেই বাঁশ কাটছেন হজরত আলী।
৩ / ৯
বাড়ির উঠানজুড়ে ছড়িয়ে টরটরি বা টমটম তৈরির সামগ্রী। তাঁর মধ্যে মাটির তৈরি ঢাকনা রাঙিয়ে তুলছেন এক নারী।
৪ / ৯
বাড়ির উঠানে বসে টরটরি বা টমটম তৈরি করছেন সানোয়ার মোল্লা।
৫ / ৯
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার খোলাস গ্রামের এক ঘরে স্তূপ করা খেলনা তৈরির উপকরণ।
৬ / ৯
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার খোলাস গ্রামের বিভিন্ন বাড়ির উঠানজুড়েই শুকানো হয় খেলনা তৈরির উপকরণ।
৭ / ৯
টরটরি বা টমটম তৈরি করে পরীক্ষা করা হচ্ছে যে তা ঠিক আছে কি না।
৮ / ৯
তৈরি করা বিভিন্ন ধরনের খেলনা একত্র করা হচ্ছে।
৯ / ৯
খেলনা তৈরি শেষ, পয়লা বৈশাখের আগে এখন যাচ্ছে বিভিন্ন মেলায়।