ডিজেল কিনতে গিয়ে বিড়ম্বনায় কৃষকেরা

কৃষক শাহিন আকন্দের মাঠে এখন বোরো ধান, পাট ও ভুট্টা রয়েছে। সেচযন্ত্র চালাতে দিনে তার প্রয়োজন প্রায় ২০ লিটার ডিজেল। সেখানে পেয়েছেন ৫০০ টাকার, অর্থাৎ ৫ লিটারের কম। এই তেল কিনতে এসে নদীতে নৌকা ও যানবাহনের ভাড়া পড়েছে ২০০ টাকা। তেলের ড্রাম নিয়ে চিন্তায় বসে পড়েছেন শাহিন। শাহিনের মতো পাঁচ শতাধিক কৃষক আজ অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন বগুড়া শহরের স্টেশন সড়কের মিতালি ফিলিং স্টেশন, শহরতলীর পূর্বাঞ্চল ফিলিং স্টেশন ও গাবতলীর সোন্দাবাড়ীর খাদিজা ফিলিং স্টেশনে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দেশে যে জ্বালানিসংকট তৈরি করেছে, তা দুই মাসে গড়াচ্ছে। এর মধ্যে দামও বেড়েছে।

১ / ৯
ডিজেল কিনতে এসে ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষায় কৃষকেরা
২ / ৯
ফিলিং স্টেশনে একদিকে কৃষকদের ড্রামের সারি, অন্যদিকে মোটরসাইকেলের লাইন
৩ / ৯
রোদে শ্রান্ত কৃষকেরা ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে
৪ / ৯
বোতল, ড্রাম হাতে ডিজেল নিতে ফিলিং স্টেশনে লাইন
৫ / ৯
জ্বালানি তেল কিনতে ফিলিং স্টেশনে এক নারী, সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সন্তান
৬ / ৯
ফিলিং স্টেশনে একদিকে ডিজেলের লাইনে কৃষকেরা, পেট্রল নিতে অন্য লাইনে মোটরসাইকেল চালকেরা
৭ / ৯
দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিলিং স্টেশন থেকে ডিজেল কিনে ফিরছেন এই ব্যক্তি
৮ / ৯
চাহিদা বেশি, তাই জ্বালানি তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় বন্ধ বগুড়া শহরতলির পূর্বাঞ্চল ফিলিং স্টেশন
৯ / ৯
কোনো ধরনের জ্বালানি তেল আর নেই, তাই বন্ধ বগুড়া শহরতলির পূর্বাঞ্চল ফিলিং স্টেশন