কুশিগাঙের শীর্ণ দশা

একসময় উত্তর-পূর্ব সিলেটের যোগাযোগ ও বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ছিল কুশিগাঙ। জৈন্তাপুরের হরিপুর এলাকার হাওর থেকে উৎপত্তি হয়ে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে নদীটি মিশেছে সিলেট নগরের কুশিঘাট এলাকার সুরমা নদীতে। কৃষি, সেচ ও স্থানীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এই নদী এখন তীব্র অস্তিত্বসংকটে। দখল আর ভরাটে বিভিন্ন স্থানে সংকুচিত হয়ে পড়েছে এর গতিপথ। বর্ষায় নদীতে কিছুটা পানি থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে কুশিগাঙের অধিকাংশ জায়গা রূপ নেয় সরু নালায়। শুকিয়ে যাওয়া নদীর বুকে অলস পড়ে থাকে জেলেদের নৌকা, কোথাও কোথাও দুই পাড় ছাপিয়ে নদীর বুকেই চলছে শাকসবজির চাষ। সম্প্রতি সিলেট নগরের কুশিঘাট এলাকা ঘুরে ছবিগুলো তোলা।

১ / ৯
কুশিগাঙে এখন আর আগের মতো পানি নেই; অলস পড়ে আছে মাছ ধরার নৌকা
২ / ৯
নদীতে পানি না থাকায় মাছ ধরা বন্ধ, তীরে গুটিয়ে তুলে রাখা হয়েছে জাল
৩ / ৯
শুষ্ক মৌসুম এলেই প্রায় পানিশূন্য হয়ে পড়ে কুশিগাঙ
৪ / ৯
নদীর হাঁটুসমান পানিতে খাবারের সন্ধানে নেমেছে হাঁসের দল
৫ / ৯
পানি শুকিয়ে নদী রূপ নেয় নালার আকৃতি
৬ / ৯
পাড়েই বেঁধে রাখা হয়েছে নৌকাগুলো
৭ / ৯
শীর্ণ হয়ে আসা কুশিগাঙ পারাপারের জন্য তৈরি করা হয়েছে বাঁশের সাঁকো
৮ / ৯
নদীর অগভীর পানিতে একদৃষ্টিতে মাছ শিকারের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে একটি কানি বক
৯ / ৯
দুই তীরের বালুচর আর সরু জলধারা নিয়ে কোনোমতে এঁকেবেঁকে বয়ে চলেছে কুশিগাঙ