মাইক্রোপ্লাস্টিকে হুমকির মুখে কর্ণফুলীর প্রাণ-প্রতিবেশ

দখল ও দূষণে মুমূর্ষু অবস্থায় পৌঁছেছে চট্টগ্রামের প্রাণ কর্ণফুলী নদী। প্রতিদিন গড়ে পাঁচ হাজার মেট্রিক টনের বেশি বর্জ্য এই নদীতে গিয়ে মিশছে। শিল্পকারখানা, পর্যটন, আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বর্জ্যের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে গৃহস্থালির অপরিশোধিত পয়োবর্জ্যও। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা কর্ণফুলীর পানি ও পলিতে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’ কণা খুঁজে পেয়েছেন। পাঁচ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট এই প্লাস্টিক কণাগুলো কেবল নদী দূষণই করছে না, বরং ক্ষতিকর রাসায়নিক ও বিষাক্ত পদার্থ শোষণ করে বহন করছে। ফলে মাছ, কাঁকড়া, শামুক প্রভৃতি জলজ প্রাণী মাইক্রোপ্লাস্টিক খেয়ে ফেলছে এবং খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে তা শেষ পর্যন্ত মানুষের দেহে পৌঁছে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশগত হুমকি বাড়ছে। দূষণে বিবর্ণ কর্ণফুলী নদী নিয়ে ছবির গল্প:

১ / ৮
নদীতে ভাসছে বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক বর্জ্য।
২ / ৮
প্লাস্টিকের টুকরি নদীতে ভাসছে।
৩ / ৮
কলকারখানার বর্জ্যে বিবর্ণ নদীর পানি।
৪ / ৮
প্লাস্টিকের সুতা নদীতে ফেলছেন এক জেলে।
৫ / ৮
ভেসে থাকা পলিথিন ও প্লাস্টিকের বোতল কুড়িয়ে নিচ্ছে এক কিশোর।
৬ / ৮
ড্রেজিং করে তোলা নদীর মাটিতে প্লাস্টিক বর্জ্য।
৭ / ৮
ভেলায় চড়ে নদী থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করছে এই কিশোর।
৮ / ৮
প্লাস্টিক কণা খেয়ে থাকে বিভিন্ন জলজ প্রাণী।