শিল্পবর্জ্যে বুড়িগঙ্গা দূষণ, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন শ্যামপুর

বুড়িগঙ্গা নদীতে শিল্পবর্জ্য ফেলানো আর শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলের কারখানার কালো ধোঁয়া—পরিবেশদূষণের এই দুই চিত্র এখন নিত্যদিনের বাস্তব। পরিবেশবিদদের মতে, অপরিকল্পিত শিল্পকারখানা, যানবাহনের ধোঁয়া ও ধুলাবালুর কারণে ঢাকার বায়ুমান প্রায়ই বিশ্বের সবচেয়ে খারাপের তালিকায় উঠে আসে। অন্যদিকে অপরিশোধিত শিল্পবর্জ্য বুড়িগঙ্গার জলজ জীববৈচিত্র্যকে ধ্বংস করছে, আর বিষাক্ত ধোঁয়া বাড়াচ্ছে নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি।

১ / ৮
বর্ষার কারণে রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীর পানি কিছুটা পরিষ্কার হলেও শ্যামপুর এলাকায় ডাইং কারখানার তরল বর্জ্যে পানি আবার কালো হয়ে উঠেছে।
২ / ৮
শ্যামপুর এলাকার ডাইং কারখানাগুলোর অপরিশোধিত তরল বর্জ্য সরাসরি মিশছে বুড়িগঙ্গায়। এতে নদীর বিস্তীর্ণ এলাকার পানি দূষিত হয়ে পড়ছে।
৩ / ৮
ডাইং কারখানার রাসায়নিক বর্জ্যে বুড়িগঙ্গার পানির রং বদলে গেছে। বছরের পর বছর এভাবে বর্জ্য ফেলায় হুমকির মুখে পড়েছে নদীর জলজ জীববৈচিত্র্য।
৪ / ৮
শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলের স্টিল ও রি-রোলিং মিলের চিমনি থেকে নির্গত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। ঢাকার বায়ুদূষণের অন্যতম বড় কারণ এই শিল্পকারখানার ধোঁয়া।
৫ / ৮
রি-রোলিং মিলের কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন শ্যামপুর শিল্পাঞ্চল। কারখানার এ ধোঁয়া প্রতিনিয়ত ঢাকার বায়ুমানের অবনতি ঘটাচ্ছে, যা বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।
৬ / ৮
রি-রোলিং মিলের চিমনি দিয়ে অনবরত ধোঁয়া বাতাসে মিশছে। দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর তদারকি না থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে।
Suvra Kanti Das
৭ / ৮
স্টিল ও রি-রোলিং মিলের চিমনি থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন শ্যামপুর। কারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণকাজের ধুলা ঢাকার বায়ুদূষণে বড় ভূমিকা রাখছে।
Suvra Kanti Das
৮ / ৮
কারখানার চিমনি থেকে বের হওয়া ধোঁয়ায় ধূসর হয়ে উঠেছে আকাশ। বায়ুদূষণ রোধে পরিবেশগত বিধিমালা কার্যকরের কথা বলে আসছেন পরিবেশবিদেরা।