আকাশ নীড়ে পাখিদের ঠিকানা

কংক্রিটের নগরী ঢাকায় দিন দিন কমছে সবুজের পরিসর, সংকুচিত হচ্ছে পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর নিরাপদ আশ্রয়। এমন বাস্তবতায় ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিজেদের কার্যালয়ের ভবনের ছাদে তৈরি হয়েছে ‘আকাশ নীড়’। এখানে রয়েছে ৫৮ প্রজাতির মোট ৪১৮টি গাছ। এর মধ্যে রয়েছে ৩০ প্রজাতির ২২৯টি ফুলের গাছ, ১৪ প্রজাতির ৪১টি ফলের গাছ আর ১১ প্রজাতির ৪৪টি অর্নামেন্টাল গাছ। পাখিদের জন্য রাখা হয়েছে পদ্ম ও শাপলায় সাজানো জলাধার ও বার্ডস বাথ। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য তৈরি করা হয়েছে বাঁশের কৃত্রিম ঝোপঝাড়, পাখির ঘর এবং বড় ক্যানোপিযুক্ত গাছের পরিবেশ। স্থানীয় খরগোশ, বানর ও কাঠবিড়ালির জন্যও রয়েছে নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা। ছবিগুলো ২০ সেপ্টেম্বর তোলা।

১ / ১০
পুরান ঢাকার জনসন রোডের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ভবনের ছাদে গড়ে তোলা হয়েছে ‘আকাশ নীড়’। নানা প্রজাতির গাছ, ফুল ও পাখির আশ্রয়ে সাজানো হয়েছে ছাদবাগানটি।
২ / ১০
গাছের সঙ্গে মাটির পাত্রে তৈরি করা হয়েছে পাখির বাসার ব্যবস্থা।
৩ / ১০
পাখিদের জন্য তৈরি করা হয়েছে বড় ক্যানোপির ভেতর কৃত্রিম পরিবেশ।
৪ / ১০
পাখিদের খাদ্যের উৎস ও পরাগায়নের জন্য রোপণ করা হয়েছে ৩০ প্রজাতির ২২৯টি ফুলের গাছ। ফুটে থাকা লাল রঙ্গন ফুলের মতো উজ্জ্বল ফুলগুলো ছাদবাগানের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে।
৫ / ১০
পাখিদের পানি পানের ও গোসলের জন্য রাখা হয়েছে জলাধার ও বার্ডস বাথ।
৬ / ১০
অল্প জায়গায় সবুজ বাড়াতে আকাশ নীড়ে ব্যবহার করা হয়েছে উল্লম্ব বাগান পদ্ধতি। পাইপের ভেতর ও ছোট পাত্রে বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগানো হয়েছে।
৭ / ১০
গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে পাখিদের জন্য কৃত্রিম বাসা।
৮ / ১০
কাঠগোলাপের মতো বাগানটিতে রয়েছে ৩০ প্রজাতির ২২৯টি ফুলের গাছ।
৯ / ১০
বাগানটিতে রয়েছে দেশীয় প্রজাতির তিনটি খরগোশও।
১০ / ১০
নাকাচুয়াগাছে ঝোলানো হয়েছে পাখির জন্য কৃত্রিমভাবে তৈরি দুটি বাসা। এটি মূলত মাদাগাস্কারের একটি বহিরাগত শোভাবর্ধনকারী গাছ, যা বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন শহর ও ছাদবাগানে ল্যান্ডস্কেপিংয়ের জন্য বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।