পুরান ঢাকায় বানরের চলাফেরা

রাজধানীর পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় বহু বছর ধরে মানুষের পাশাপাশি বসবাস করে আসছে রেসাস বানর। নগরায়ণ, আবাসন সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমের ফলে তাদের প্রাকৃতিক আবাস ও খাদ্যের উৎস ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। তবু মানুষের বসতির ছাদ, কার্নিশ, গলি আর বৈদ্যুতিক তারে প্রতিদিনই চোখে পড়ে তাদের চলাফেরা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে থাকা এই মানুষ-বানরের সহাবস্থান পুরান ঢাকার এক অনন্য ঐতিহ্য, যা টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন সচেতনতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহাবস্থানের মানসিকতা।

১ / ১০
গেন্ডারিয়ার একটি গলিতে মানুষের পাশ দিয়ে নিশ্চিন্তে হেঁটে যাচ্ছে একটি রেসাস বানর। বহু বছর ধরে এই এলাকায় মানুষ ও বানরের সহাবস্থান চলছে।
২ / ১০
শাবককে বুকে আগলে ভবনের সীমানাপ্রাচীর বেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে একটি মা বানর।
৩ / ১০
পুরোনো ভবনের ছাদে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বসে আছে রেসাস বানরের দল। মানুষের বসতির ভেতরেই গড়ে উঠেছে তাদের বিকল্প আবাস।
৪ / ১০
উনিশ শতকের দিকে ঢাকার বনজঙ্গলে অবাধ বিচরণ ছিল এই রেসাস বানরদের। পরবর্তী সময় দ্রুত নগরায়ণ, বনাঞ্চল ধ্বংস ও মানুষের বসতি বাড়ার কারণে তাদের প্রাকৃতিক বাসস্থান সংকুচিত হয়ে আসে। টিকে থাকার লড়াইয়ে এই বুদ্ধিমান প্রাণীরা তখন নিজেদের মানিয়ে নেয় শহরের পরিবেশের সঙ্গে।
৫ / ১০
নিরাপদ আশ্রয় আর খাবারের সন্ধানে ভবনের কার্নিশে বসে আশপাশ পর্যবেক্ষণ করছে চারটি বানর।
৬ / ১০
তার ধরে এক ভবন থেকে আরেক ভবনে যাচ্ছে একটি বানর। শহরের তারের জঞ্জাল যেন তাদের প্রতিদিনের চলাচলের রাস্তা।
৭ / ১০
আলাদা দুনিয়া, অথচ এক ঠিকানা! ভবনের ফটকে খাবারের খোঁজে হেঁটে চলা কুকুরটির দিকে ওপর থেকে কৌতূহলী নজর রাখছে রেসাস বানরটি।
৮ / ১০
ছাদের রেলিং ধরে কাঁটা তারের পাশেই খেলায় মেতে উঠেছে দুটি কিশোর বানর। মানুষের বসতির ভেতরেই বেড়ে উঠছে নতুন প্রজন্ম।
৯ / ১০
পাইপের ওপর সতর্ক পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে একটি রেসাস বানর।
১০ / ১০
স্থানীয় লোকজনের দেওয়া খাবারের ওপর নির্ভর করেই পুরান ঢাকার অলিতে-গলিতে এখনো টিকে আছে এই রেসাস বানরেরা।