রঙে-উৎসবে নববর্ষ: চারুকলা থেকে রমনা

আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে নতুন বছর, ১৪৩৩। বাংলা নববর্ষকে ঘিরে রাজধানীজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে রং, ঐতিহ্য আর প্রতিবাদের ভাষা। চারুকলার শোভাযাত্রার প্রস্তুতি, রমনার বটমূলে ছায়ানটের আয়োজন, দোয়েল চত্বরের ব্যস্ততা—সব মিলিয়ে উৎসবের আবহ যেন ধরা দিয়েছে প্রতিটি ফ্রেমে। পটচিত্র, মুখোশ, প্রতীকী মোটিফ আর মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ফুটে উঠেছে বাঙালির সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সময়ের প্রতিবিম্ব। ১৩ এপ্রিল সোমবার বিকেলের এই ছবিগুলো সেই প্রস্তুতি আর প্রত্যাশার গল্পই বলে।

১ / ১৪
মঙ্গলকাব্যের মনসামঙ্গলের অন্যতম চরিত্র বেহুলা ও সুন্দরবনজীবীদের দেবী বনবিবিকে নিয়ে পটচিত্রের সামনে ছবি তোলা ছিল দর্শনার্থীদের জন্য অন্যতম আকর্ষণ।
২ / ১৪
বাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবারের শোভাযাত্রায় যুক্ত হয়েছে দোতারার মোটিফ।
৩ / ১৪
পালকির সামনে একদল শিক্ষার্থী ছবি তোলায় ব্যস্ত।
৪ / ১৪
‘পটচিত্র বাংলাদেশ’—যেখানে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের নূর হোসেন এবং চব্বিশের আবু সাঈদদের মতো দেশপ্রেমিকদের পট ফুটিয়ে তুলছেন পটচিত্রী টাইগার নাজির।
৫ / ১৪
মুখে আলপনা আঁকছেন এক নারী।
৬ / ১৪
নতুন ভোর, নতুন দেশ ও নতুন গণতন্ত্রের প্রত্যাশাকে স্বাগত জানাতে এবার যুক্ত হয়েছে প্রতীকী মোরগ মোটিফ।
৭ / ১৪
বাংলা নববর্ষের প্রবর্তক মোগল সম্রাট আকবরের পটচিত্রের সামনে ছবি তুলছেন দর্শনার্থীরা।
৮ / ১৪
চারুকলার দেয়ালে আঁকা নকশার সামনে ছবি তুলছেন তিন শিক্ষার্থী।
৯ / ১৪
বাঙালিয়ানায় লাল পাড়ের সাদা শাড়িতে সেজে এসেছেন তাঁরা।
১০ / ১৪
শেষ মুহূর্তে মুখোশ তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চারুকলার শিক্ষার্থীরা।
১১ / ১৪
রমনার বটমূলে ছায়ানটের আয়োজন ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে সংগীত পরিবেশন করছেন শিল্পীরা।
১২ / ১৪
বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে ঘর সাজানোর নানা নকশার গৃহস্থালি পণ্য কিনতে ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতারা। বিকেলে দোয়েল চত্বরের ফুটপাতে।
১৩ / ১৪
চালনিতে ‘শুভ নববর্ষ’ লিখছেন এক বিক্রেতা।
১৪ / ১৪
চারুকলার বকুলতলায় চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে চলছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।