ভাঙা ঘর, অনিশ্চিত জীবন—বাঁশখালীতে বন্যার দুর্দশার চিত্র

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। পানি নামতে থাকায় আশ্রয়কেন্দ্র ও অন্য নিরাপদ স্থানে থাকা মানুষজন ফিরছেন নিজেদের ঘরবাড়ি দেখতে। তবে কয়েক দিন ধরে ঘরের ভেতর ও বাইরে পানি জমে থাকায় মাটি ও বেড়ার তৈরি অনেক ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। ভিটেমাটির এমন অবস্থা দেখে অনেকে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। আবার কেউ কেউ ভাঙা ঘর মেরামত করে বসবাসের উপযোগী করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বন্যাকবলিত মানুষের অভিযোগ, এত দিন পেরিয়ে গেলেও তাঁদের কাছে কোনো ত্রাণ বা সহায়তা পৌঁছেনি। শনিবার (১১ জুলাই) বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের চিত্র।

১ / ১৩
ত্রাণ নিয়ে ফিরছেন কয়েকজন বন্যাকবলিত মানুষ
২ / ১৩
ঘরের চালে আশ্রয় নেওয়া কয়েকটি মুরগি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি
৩ / ১৩
ভাঙা ঘরের সামনে দিয়ে যাচ্ছেন এক বৃদ্ধ
৪ / ১৩
আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে বন্যায় বিধ্বস্ত ঘর খতিয়ে দেখছেন মো. মনজুর আলম নামের এক যুবক
৫ / ১৩
ভেঙে পড়া একটি টিনের ঘরের দৃশ্য
৬ / ১৩
ভেঙে পড়া মাটির ঘরের দরজায় শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে অসহায়ভাবে বসে আছেন রিমা আক্তার
৭ / ১৩
দুমড়ে–মুচড়ে যাওয়া ঘরের দরজা থেকে অসহায়ভাবে উঁকি দিচ্ছেন সাজেদা বেগম
৮ / ১৩
ঠেস দিয়ে কাঁচা ইটের দেয়াল রক্ষা করার চেষ্টা করছেন মোহাম্মদ ইউনুস নামের এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি
৯ / ১৩
চারদিকে বন্যার ভয়াল থাবার ছাপ। এর মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের বারান্দায় চিন্তিতভাবে বসে আছেন মাহাতাব আলী নামের এক বৃদ্ধ
১০ / ১৩
দুই হাতে ভেঙে যাওয়া দেয়ালের মাটি সরাচ্ছেন নূর বেগম নামের এক নারী
১১ / ১৩
খড়ের স্তুপসহ (কুইরগ্যা) উঠানের অন্যান্য জিনিস এখনো হাঁটুপানিতে ডুবে আছে
১২ / ১৩
পানিতে ডুবে থাকা বাহারছড়া ইউনিয়নের একাংশের দৃশ্য
১৩ / ১৩
বাহারছড়া ইউনিয়নের গ্রামের পর গ্রাম এভাবে জলমগ্ন হয়ে আছে